
চুনারুঘাট প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিক মিয়া মহালদার একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট) হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
শফিক মিয়া মহালদারের দাবি, রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন ও তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে মামলাটি করা হয়েছে। তিনি এ মামলাকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে শফিক মিয়া মহালদার ২০টিরও বেশি মামলার আসামি হন এবং বিভিন্ন সময়ে কারাবরণ করেন। যুবদলের বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তার সহকর্মীরা।
সম্প্রতি চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে তাকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল বলে তার সমর্থকদের দাবি। এ সময় সাধারণ মানুষের পক্ষে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় একটি পক্ষ তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি গাছ কাটার মামলায় শফিক মিয়া মহালদারকে জড়ানো হয়েছে, যা তিনি ও তার অনুসারীরা সাজানো ও ভিত্তিহীন মামলা বলে দাবি করেছেন।
এ ঘটনায় চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ, উপজেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক চৌধুরী, সদস্য সচিব জালাল আহমেদসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় শতাধিক মানুষ প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তারা শফিক মিয়া মহালদারকে একজন ভালো ও জনসম্পৃক্ত ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করেন।
জামিন পাওয়ার পর শফিক মিয়া মহালদার বলেন, তিনি জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করে যাবেন। কোনো মিথ্যা মামলা বা ষড়যন্ত্র তাকে তার রাজনৈতিক আদর্শ থেকে দূরে সরাতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























