ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে সিংহ ও করাব গ্রামের বিরোধে উত্তেজনা, বন্ধ বুল্লা বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্য Logo মরমি সাধক শেখ ভানু শাহ: কালজয়ী গানে আজও বেঁচে আছেন লাখাইয়ের ভাদিকারা গ্রামে Logo খলিলুর রহমানের গণসংযোগের পোস্টে মান্নান আখনের প্রশ্ন, ‘এটা কি ঠিক হচ্ছে ভাই’ Logo দলীয় মনোনয়নের আগেই হাইমচরে খলিলুর রহমান পাটওয়ারীর গণসংযোগ Logo নোয়াপাড়া চা বাগানে সাপ্তাহিক মজুরি পাননি শ্রমিকরা, শূন্য হাতে ফিরলেন বাড়ি Logo কচুরিপানার আগ্রাসনে চাষের অনুপযোগী লাখাইয়ের হাওর, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক Logo জামালপুরে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, সব পদ থেকে অব্যাহতি Logo হাইমচরে দুই প্রতিষ্ঠানে অভিযান, জরিমানা ৫৫ হাজার টাকা Logo নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান Logo প্রবাসে না গিয়ে চুনারুঘাটের ইমরানের সাফল্য, ‘সুগান মন্ত্রী’ তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশিক মুদ্রা

খড়মপুর মাজারে দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা টাকা গুনলেন ৪০ জন, উঠল যত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার শাহ সৈয়দ আহমেদ গেছুদারাজ (র.) প্রকাশ খড়মপুর মাজার শরীফের বিভিন্ন দানবাক্সের টাকা গণনার কাজ শেষ হয়েছে। দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা ধরে ৪০ জনের অংশগ্রহণে গণনা শেষে দানবাক্সগুলো থেকে এক কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রূপাও পাওয়া গেছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া ও মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভক্তদের দেওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ সময় গণনার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে কাজ শেষ হয়। এ সময় সরকারি কর্মকর্তা ও মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ মোট ৪০ জন টাকা গণনায় অংশ নেন।

গণনা করা টাকার মধ্যে এক হাজার টাকার নোট ৮৯৮টি, ৫০০ টাকার নোট ৩ হাজার ৩৫৮টি, ২০০ টাকার নোট ৪ হাজার ৯৯৫টি, ১০০ টাকার নোট ৩২ হাজার ১৪২টি, ৫০ টাকার নোট ৩৫ হাজার ৬৬টি, ২০ টাকার নোট ৫৯ হাজার ৬১৯টি, ১০ টাকার নোট ৫৪ হাজার ২১টি, পাঁচ টাকার নোট ৬ হাজার ৩৩৯টি এবং দুই টাকার নোট ১ হাজার ৪৩৩টি পাওয়া গেছে।

শাহ সৈয়দ আহমদ গেছুদারাজ (র.) প্রকাশ শাহপীর কল্লা শহীদ মাজারের সপ্তাহব্যাপী ওরস রবিবার শেষ হয়েছে। গত ১০ আগস্ট থেকে ওরস শুরু হয় এবং ১৪ আগস্ট রাতে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওরস উপলক্ষে আয়োজিত মেলা আরও অন্তত এক মাস চলবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ওরসকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই মাজারে বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম ঘটে। নৌপথের পাশাপাশি সড়ক ও রেলপথে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা মাজারে আসেন। ওরস চলাকালে বিশেষ করে ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, খড়মপুর মাজারের এই ওরস দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। এবারও বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে সিংহ ও করাব গ্রামের বিরোধে উত্তেজনা, বন্ধ বুল্লা বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্য

error:

খড়মপুর মাজারে দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা টাকা গুনলেন ৪০ জন, উঠল যত

আপডেট সময় ০৭:৪১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার শাহ সৈয়দ আহমেদ গেছুদারাজ (র.) প্রকাশ খড়মপুর মাজার শরীফের বিভিন্ন দানবাক্সের টাকা গণনার কাজ শেষ হয়েছে। দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা ধরে ৪০ জনের অংশগ্রহণে গণনা শেষে দানবাক্সগুলো থেকে এক কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রূপাও পাওয়া গেছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া ও মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভক্তদের দেওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ সময় গণনার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে কাজ শেষ হয়। এ সময় সরকারি কর্মকর্তা ও মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ মোট ৪০ জন টাকা গণনায় অংশ নেন।

গণনা করা টাকার মধ্যে এক হাজার টাকার নোট ৮৯৮টি, ৫০০ টাকার নোট ৩ হাজার ৩৫৮টি, ২০০ টাকার নোট ৪ হাজার ৯৯৫টি, ১০০ টাকার নোট ৩২ হাজার ১৪২টি, ৫০ টাকার নোট ৩৫ হাজার ৬৬টি, ২০ টাকার নোট ৫৯ হাজার ৬১৯টি, ১০ টাকার নোট ৫৪ হাজার ২১টি, পাঁচ টাকার নোট ৬ হাজার ৩৩৯টি এবং দুই টাকার নোট ১ হাজার ৪৩৩টি পাওয়া গেছে।

শাহ সৈয়দ আহমদ গেছুদারাজ (র.) প্রকাশ শাহপীর কল্লা শহীদ মাজারের সপ্তাহব্যাপী ওরস রবিবার শেষ হয়েছে। গত ১০ আগস্ট থেকে ওরস শুরু হয় এবং ১৪ আগস্ট রাতে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওরস উপলক্ষে আয়োজিত মেলা আরও অন্তত এক মাস চলবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ওরসকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই মাজারে বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম ঘটে। নৌপথের পাশাপাশি সড়ক ও রেলপথে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা মাজারে আসেন। ওরস চলাকালে বিশেষ করে ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, খড়মপুর মাজারের এই ওরস দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। এবারও বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়েছে।