ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo লাখাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বামৈ বাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়ে ৫৯.২ শতাংশ, মোবাইল ফোন ব্যবহার ৮৯.৬ শতাংশ Logo নাসিরনগরের চাপরতলা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় জামাল আহমদ Logo রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার Logo কুষ্টিয়ায় আজ থেকে তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব শুরু Logo লাখাইয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, বিতরণে স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব Logo ভারত থেকে বাংলাদেশে এলো রেলের ১৮টি নতুন কোচ, আসছে আরও ১৮২টি Logo মাধবপুরে স্কুলছাত্রী তাহমিনা নিখোঁজের এক মাস, এখনো মেলেনি সন্ধান Logo যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্নফাঁস: সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যমান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা অসন্তোষ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগের পাশাপাশি ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র‍্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান র‍্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল। প্রস্তাবিত আইনের অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত আইন ও পরবর্তী বিধিমালার মাধ্যমে কার্যকর হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

error:

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

আপডেট সময় ১১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যমান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা অসন্তোষ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগের পাশাপাশি ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র‍্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান র‍্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল। প্রস্তাবিত আইনের অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত আইন ও পরবর্তী বিধিমালার মাধ্যমে কার্যকর হবে।