ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে Logo লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদ থেকে হবিগঞ্জে মাহদী হাসান আটক Logo মাতৃত্বকালীন ভাতা কত, পাবেন কীভাবে? বিস্তারিত জেনে নিন Logo মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo ‘শুধু ভালো ফলাফল নয়, ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে’—এসএফএএম শাহজাহান Logo কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সামনে ধাক্কা দেওয়া বাসে আগুন, পুড়ে ছাই স্লিপার কোচ Logo লাখাইয়ে পূর্বের মাদক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ Logo চুনারুঘাটে হোসেন আলী মীর গ্রেপ্তার, এলাকায় স্বস্তি Logo হবিগঞ্জ রেড ক্রিসেন্টের এ্যাডহক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন সৈয়দ মোঃ শাহজাহান Logo ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যমান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা অসন্তোষ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগের পাশাপাশি ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র‍্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান র‍্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল। প্রস্তাবিত আইনের অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত আইন ও পরবর্তী বিধিমালার মাধ্যমে কার্যকর হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

error:

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

আপডেট সময় ১১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যমান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা অসন্তোষ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগের পাশাপাশি ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র‍্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান র‍্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল। প্রস্তাবিত আইনের অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত আইন ও পরবর্তী বিধিমালার মাধ্যমে কার্যকর হবে।