ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন: যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড Logo মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা জোরদার, মাদকসেবনের অভিযোগে যুবক আটক Logo মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, এমপির হস্তক্ষেপ কামনা Logo বাহুবলে মাদকের বিরুদ্ধে ইউএনওর অভিযান: ইয়াবা বহন ও সেবনে নারীর ৯ মাস কারাদণ্ড Logo জামালপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা: কমিটি বাতিল, অধ্যক্ষকে শোকজ Logo বাহুবলে নারী-সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৬ Logo লাখাইয়ে মুড়িয়াউক গ্রামের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট মামলার প্রধান আসামি আক্তার মিয়া গ্রেফতার Logo বর্ষার শুরুতেই লাখাইয়ের শিবপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম: একমাত্র ভরসা নৌকা Logo জামালপুরে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে বিপাকে ১০০ শিক্ষার্থী Logo মাধবপুরে এলপিজির দাম কমলেও সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা

মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া এ আবেদন করেন।

গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে দাখিল করা ওই আবেদনে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, স্কুলভিত্তিক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষক মোটিভেশন, প্রশিক্ষণ, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দ পাওয়া উপজেলার ৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘নৈশ প্রহরী নবায়ন’ কর্মসূচির আওতায় ১৪৯টি বিদ্যালয়ের প্রতিটির কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে। শিক্ষক মোটিভেশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বই বিক্রির অর্থ, ইন্টারনেট বিল, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং শিক্ষকদের যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অনিয়মের কারণে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আবেদনে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদনটির অনুলিপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এ ধরনের কোনো অনিয়মের সঙ্গে আমি জড়িত নই।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন: যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড

মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন

আপডেট সময় ০৬:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া এ আবেদন করেন।

গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে দাখিল করা ওই আবেদনে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, স্কুলভিত্তিক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষক মোটিভেশন, প্রশিক্ষণ, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দ পাওয়া উপজেলার ৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘নৈশ প্রহরী নবায়ন’ কর্মসূচির আওতায় ১৪৯টি বিদ্যালয়ের প্রতিটির কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে। শিক্ষক মোটিভেশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বই বিক্রির অর্থ, ইন্টারনেট বিল, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং শিক্ষকদের যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অনিয়মের কারণে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আবেদনে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদনটির অনুলিপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এ ধরনের কোনো অনিয়মের সঙ্গে আমি জড়িত নই।”