ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আশুগঞ্জে প্রাইভেটকারে ৫২ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার ১ Logo হাইমচরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাঁশ দিয়ে হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ২ Logo বিতর্কের মধ্যেই নাসিরনগরের ইউএনও শাহীনা নাছরিনের এডিসি পদোন্নতি Logo মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সুরমা চা বাগান যুব সংঘের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক Logo লাখাইয়ে ৮১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মাধবপুর ইউএনওর সরকারি গাড়ি Logo আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, এমপির হস্তক্ষেপ কামনা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগকারী উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া। গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে দাখিল করা আবেদনে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন, নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক মৌখিক ডেপুটেশন, সাব-ক্লাস্টার কার্যক্রম, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে ৭৫টি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের নামে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, তার কাছ থেকেও একই পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, ১৪৯টি বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক ডেপুটেশন, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে ঠিকাদারদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার কারণে নির্মাণকাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের বেতন বিবরণী উত্তোলনের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, এসব অনিয়মের ফলে মাধবপুর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষকরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুগঞ্জে প্রাইভেটকারে ৫২ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার ১

error:

মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, এমপির হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগকারী উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া। গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে দাখিল করা আবেদনে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন, নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক মৌখিক ডেপুটেশন, সাব-ক্লাস্টার কার্যক্রম, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে ৭৫টি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের নামে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, তার কাছ থেকেও একই পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, ১৪৯টি বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক ডেপুটেশন, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে ঠিকাদারদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার কারণে নির্মাণকাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের বেতন বিবরণী উত্তোলনের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, এসব অনিয়মের ফলে মাধবপুর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষকরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত করা হবে।