ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন: যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড Logo মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা জোরদার, মাদকসেবনের অভিযোগে যুবক আটক Logo মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, এমপির হস্তক্ষেপ কামনা Logo বাহুবলে মাদকের বিরুদ্ধে ইউএনওর অভিযান: ইয়াবা বহন ও সেবনে নারীর ৯ মাস কারাদণ্ড Logo জামালপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা: কমিটি বাতিল, অধ্যক্ষকে শোকজ Logo বাহুবলে নারী-সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৬ Logo লাখাইয়ে মুড়িয়াউক গ্রামের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট মামলার প্রধান আসামি আক্তার মিয়া গ্রেফতার Logo বর্ষার শুরুতেই লাখাইয়ের শিবপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম: একমাত্র ভরসা নৌকা Logo জামালপুরে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে বিপাকে ১০০ শিক্ষার্থী Logo মাধবপুরে এলপিজির দাম কমলেও সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা

মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, এমপির হস্তক্ষেপ কামনা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগকারী উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া। গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে দাখিল করা আবেদনে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন, নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক মৌখিক ডেপুটেশন, সাব-ক্লাস্টার কার্যক্রম, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে ৭৫টি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের নামে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, তার কাছ থেকেও একই পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, ১৪৯টি বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক ডেপুটেশন, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে ঠিকাদারদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার কারণে নির্মাণকাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের বেতন বিবরণী উত্তোলনের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, এসব অনিয়মের ফলে মাধবপুর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষকরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন: যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড

মাধবপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ, এমপির হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগকারী উপজেলার আহমদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হেলাল মিয়া। গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে দাখিল করা আবেদনে তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র মেরামত, শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন, নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক মৌখিক ডেপুটেশন, সাব-ক্লাস্টার কার্যক্রম, ইন্টারনেট বিল, যাতায়াত ভাতা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালে ৭৫টি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের নামে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, তার কাছ থেকেও একই পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, ১৪৯টি বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী নবায়ন, গোদামের বই বিক্রি, শিক্ষক ডেপুটেশন, ভবন নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে ঠিকাদারদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার কারণে নির্মাণকাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষকদের বেতন বিবরণী উত্তোলনের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, এসব অনিয়মের ফলে মাধবপুর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষকরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকিরুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত করা হবে।