ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

সরকারি বই আত্মসাতের মামলা এখন দুদকের হাতে: লাখাইয়ের করাব মাদ্রাসার ৭ শিক্ষক পলাতক

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সরকারি বই পাচার মামলার আসামি ৭ শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ও স্বাভাবিক পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ মে গভীর রাতে করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে সরকারি বই পাচারের সময় স্থানীয় জনতা একটি বইবোঝাই পিকআপ ভ্যান আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন—মুফতি রফিকুল ইসলাম (৫৭), নুরুল হক চৌধুরী (৫৮), মোঃ আব্বাছ উদ্দিন (৩৯), নজির আহমদ (৫২), আবু তালেব (৩৭), হাসানুল হক (৪২) এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন (৪০)।

মামলা দায়েরের পর থেকেই এই ৭ শিক্ষক মাদ্রাসায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রয়েছেন। একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, সরকারি বই আত্মসাৎ ও পাচারের এই মামলাটি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্তাধীন রয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত সংকট নিরসন করে মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

সরকারি বই আত্মসাতের মামলা এখন দুদকের হাতে: লাখাইয়ের করাব মাদ্রাসার ৭ শিক্ষক পলাতক

আপডেট সময় ১১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সরকারি বই পাচার মামলার আসামি ৭ শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ও স্বাভাবিক পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ মে গভীর রাতে করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে সরকারি বই পাচারের সময় স্থানীয় জনতা একটি বইবোঝাই পিকআপ ভ্যান আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন—মুফতি রফিকুল ইসলাম (৫৭), নুরুল হক চৌধুরী (৫৮), মোঃ আব্বাছ উদ্দিন (৩৯), নজির আহমদ (৫২), আবু তালেব (৩৭), হাসানুল হক (৪২) এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন (৪০)।

মামলা দায়েরের পর থেকেই এই ৭ শিক্ষক মাদ্রাসায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রয়েছেন। একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, সরকারি বই আত্মসাৎ ও পাচারের এই মামলাটি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্তাধীন রয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত সংকট নিরসন করে মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।