ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

ঢাকায় পরকীয়া বিরোধের জেরে অপহরণ ও নির্যাতনের পর যুবক হত্যা, মরদেহ উদ্ধার মাধবপুরে

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
রাজধানী ঢাকায় পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অপহরণ ও নির্যাতনের পর এক যুবককে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে আন্দিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে মহাসড়কের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের বাড্ডা থানা পুলিশের একটি দলও উপস্থিত ছিল।

নিহত যুবকের নাম ফরহাদ হোসেন মাহির (২৩)। তিনি ঢাকার উত্তরখান এলাকার চানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত আব্দুল আউয়াল এবং মাতা মাজেদা বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার আফতাবনগর এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করে একটি বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে শারীরিক নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ১ মে একটি প্রাইভেটকারে করে মরদেহটি নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে মাধবপুরের আন্দিউড়া এলাকায় এনে ফেলে রাখা হয়।

ধৃত এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হানিফের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

ঢাকায় পরকীয়া বিরোধের জেরে অপহরণ ও নির্যাতনের পর যুবক হত্যা, মরদেহ উদ্ধার মাধবপুরে

আপডেট সময় ০১:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
রাজধানী ঢাকায় পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অপহরণ ও নির্যাতনের পর এক যুবককে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে আন্দিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে মহাসড়কের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের বাড্ডা থানা পুলিশের একটি দলও উপস্থিত ছিল।

নিহত যুবকের নাম ফরহাদ হোসেন মাহির (২৩)। তিনি ঢাকার উত্তরখান এলাকার চানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত আব্দুল আউয়াল এবং মাতা মাজেদা বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার আফতাবনগর এলাকা থেকে তাকে অপহরণ করে একটি বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে শারীরিক নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ১ মে একটি প্রাইভেটকারে করে মরদেহটি নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে মাধবপুরের আন্দিউড়া এলাকায় এনে ফেলে রাখা হয়।

ধৃত এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হানিফের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা।