ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম Logo মজুরি দাবিতে পাঁচ চা বাগানে কর্মবিরতি, মালিকপক্ষের দাবি অর্থসংকট Logo হবিগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলায় জামাতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo হাইমচরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, শতাধিক শিক্ষার্থীকে সচেতনতা

ভয়কে পেছনে রেখে সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান: প্রধান উপদেষ্টা

ভয়কে পেছনে রেখে সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে এবং জাতিকে নতুনভাবে গঠনের পথে এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে এই ভোট প্রমাণ করবে—এই দেশ তার তরুণ, নারী ও সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতি আজ এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ধারক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা বহু বছরের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা জনগণের। রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নাগরিক হিসেবে জাতির সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাগ করে নেওয়াকে তিনি তার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করেছেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণা আগের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় শান্তিপূর্ণ হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এ পরিবেশ সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেও সহিংস ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের চর্চায় কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজারের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক। এটি কেবল একটি নিয়মিত নির্বাচন নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা

error:

ভয়কে পেছনে রেখে সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৯:১৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভয়কে পেছনে রেখে সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে এবং জাতিকে নতুনভাবে গঠনের পথে এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে এই ভোট প্রমাণ করবে—এই দেশ তার তরুণ, নারী ও সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতি আজ এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ধারক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা বহু বছরের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা জনগণের। রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নাগরিক হিসেবে জাতির সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাগ করে নেওয়াকে তিনি তার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করেছেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণা আগের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় শান্তিপূর্ণ হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এ পরিবেশ সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেও সহিংস ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের চর্চায় কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজারের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক। এটি কেবল একটি নিয়মিত নির্বাচন নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।