ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

ভয়কে পেছনে রেখে সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান: প্রধান উপদেষ্টা

ভয়কে পেছনে রেখে সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে এবং জাতিকে নতুনভাবে গঠনের পথে এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে এই ভোট প্রমাণ করবে—এই দেশ তার তরুণ, নারী ও সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতি আজ এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ধারক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা বহু বছরের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা জনগণের। রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নাগরিক হিসেবে জাতির সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাগ করে নেওয়াকে তিনি তার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করেছেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণা আগের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় শান্তিপূর্ণ হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এ পরিবেশ সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেও সহিংস ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের চর্চায় কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজারের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক। এটি কেবল একটি নিয়মিত নির্বাচন নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

ভয়কে পেছনে রেখে সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৯:১৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভয়কে পেছনে রেখে সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে এবং জাতিকে নতুনভাবে গঠনের পথে এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে এই ভোট প্রমাণ করবে—এই দেশ তার তরুণ, নারী ও সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতি আজ এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যৎ-নির্ধারক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা বহু বছরের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা জনগণের। রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নাগরিক হিসেবে জাতির সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাগ করে নেওয়াকে তিনি তার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব মনে করেছেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণা আগের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় শান্তিপূর্ণ হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এ পরিবেশ সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেও সহিংস ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের চর্চায় কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজারের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক। এটি কেবল একটি নিয়মিত নির্বাচন নয়, বরং গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।