ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কৃষি কর্মকর্তার পরিদর্শনে প্রশংসিত লাখাইয়ের কৃষকদের কচুরিপানা অপসারণ যন্ত্র Logo হাইমচরে ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার Logo লাখাইয়ে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পাচ্ছেন সিংহগ্রামের ৭৩৩ প্রান্তিক কৃষক Logo লাখাইয়ে পোনা নিধন বন্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জেলা প্রশাসকের Logo নাসিরনগরে এক মাসে ১০ প্রাণহানি, উদ্বেগ-আতঙ্কে এলাকাবাসী Logo মাধবপুরে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে পুকুরে গোসলে নেমে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু Logo মাধবপুরে ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকার আইসিটি কেন্দ্র, ৮ বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ Logo বুল্লা বাজারে যানজট ও চুরি রোধে মাঠে ইউএনও Logo মাধবপুরে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

দায়িত্বে থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের উপর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং প্রশাসনিক শূন্যতা কমানোর স্বার্থে অংশীজন ও নির্বাচিত সরকার চাইলে তিনি আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য জানান, আপদকালীন বিশেষ এক পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চভাবে পালনের চেষ্টা করেছেন।

ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বর্তমান পর্যায়ে এসে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান, যাতে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার তাদের মতো করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাজাতে পারে। তবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রশাসনিক শূন্যতা কমানোর প্রয়োজনে অংশীজনরা চাইলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করা পর্যন্ত তিনি উপাচার্যের দায়িত্বে থাকবেন এবং নতুন সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা রেখে কাজ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১০ আগস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। এরপর একই বছরের ২৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে সাময়িকভাবে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১১(২) অনুযায়ী তাকে সাময়িক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষি কর্মকর্তার পরিদর্শনে প্রশংসিত লাখাইয়ের কৃষকদের কচুরিপানা অপসারণ যন্ত্র

error:

দায়িত্বে থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের উপর

আপডেট সময় ০৪:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং প্রশাসনিক শূন্যতা কমানোর স্বার্থে অংশীজন ও নির্বাচিত সরকার চাইলে তিনি আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য জানান, আপদকালীন বিশেষ এক পরিস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চভাবে পালনের চেষ্টা করেছেন।

ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বর্তমান পর্যায়ে এসে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান, যাতে নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার তাদের মতো করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাজাতে পারে। তবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রশাসনিক শূন্যতা কমানোর প্রয়োজনে অংশীজনরা চাইলে তিনি বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করা পর্যন্ত তিনি উপাচার্যের দায়িত্বে থাকবেন এবং নতুন সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা রেখে কাজ করবেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১০ আগস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। এরপর একই বছরের ২৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে সাময়িকভাবে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১১(২) অনুযায়ী তাকে সাময়িক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।