ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন Logo হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ Logo ফেসবুকের আয় ও বন্ধুদের সহযোগিতায় অসহায় রাশিদার নতুন ঘর নির্মাণ করলেন শান্ত শাহ Logo লাখাই থানার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শরীফ আহমেদ Logo দোয়ারাবাজারে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন

হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে পত্র

বাংলার খবর ডেস্ক সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ শাখা জানায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ হাতে স্বাক্ষর করা পত্রে বিচারপতি নাইমা হায়দার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী সেই পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারপতি নাইমা হায়দারের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আগে ছুটিতে পাঠানো হয় এবং বিষয়টি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্তাধীন ছিল। এই অবস্থায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির আদেশে অপসারণ করা হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের মোট ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে অবসর, পদত্যাগ বা তদন্তের মাধ্যমে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।

সূত্র জানায়, ছুটিতে পাঠানো বিচারপতিদের মধ্যে বর্তমানে কয়েকজন পদে থাকলেও তারা কোনো বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রমে যুক্ত নন। পাশাপাশি চলতি মাসে আরও একজন বিচারপতিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর আইন শিক্ষা গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয়

error:

হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে পত্র

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ শাখা জানায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ হাতে স্বাক্ষর করা পত্রে বিচারপতি নাইমা হায়দার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী সেই পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারপতি নাইমা হায়দারের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আগে ছুটিতে পাঠানো হয় এবং বিষয়টি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্তাধীন ছিল। এই অবস্থায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির আদেশে অপসারণ করা হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের মোট ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে অবসর, পদত্যাগ বা তদন্তের মাধ্যমে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।

সূত্র জানায়, ছুটিতে পাঠানো বিচারপতিদের মধ্যে বর্তমানে কয়েকজন পদে থাকলেও তারা কোনো বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রমে যুক্ত নন। পাশাপাশি চলতি মাসে আরও একজন বিচারপতিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর আইন শিক্ষা গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।