ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে পত্র

বাংলার খবর ডেস্ক সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ শাখা জানায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ হাতে স্বাক্ষর করা পত্রে বিচারপতি নাইমা হায়দার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী সেই পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারপতি নাইমা হায়দারের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আগে ছুটিতে পাঠানো হয় এবং বিষয়টি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্তাধীন ছিল। এই অবস্থায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির আদেশে অপসারণ করা হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের মোট ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে অবসর, পদত্যাগ বা তদন্তের মাধ্যমে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।

সূত্র জানায়, ছুটিতে পাঠানো বিচারপতিদের মধ্যে বর্তমানে কয়েকজন পদে থাকলেও তারা কোনো বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রমে যুক্ত নন। পাশাপাশি চলতি মাসে আরও একজন বিচারপতিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর আইন শিক্ষা গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে পত্র

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ শাখা জানায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিজ হাতে স্বাক্ষর করা পত্রে বিচারপতি নাইমা হায়দার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। নিয়ম অনুযায়ী সেই পদত্যাগপত্র প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারপতি নাইমা হায়দারের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আগে ছুটিতে পাঠানো হয় এবং বিষয়টি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্তাধীন ছিল। এই অবস্থায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের তিনজন বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির আদেশে অপসারণ করা হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইকোর্ট বিভাগের মোট ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যে অবসর, পদত্যাগ বা তদন্তের মাধ্যমে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন।

সূত্র জানায়, ছুটিতে পাঠানো বিচারপতিদের মধ্যে বর্তমানে কয়েকজন পদে থাকলেও তারা কোনো বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রমে যুক্ত নন। পাশাপাশি চলতি মাসে আরও একজন বিচারপতিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীর কন্যা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর আইন শিক্ষা গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।