
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেছেন, তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকেই জানানো হবে।
বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যমুনায় বৈঠক করেন কয়েকজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। সাধারণত প্রতি মঙ্গলবার মধ্যাহ্নভোজের পাশাপাশি উপদেষ্টাদের নিয়মিত বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ প্রসঙ্গ ওঠে। পরে সন্ধ্যায় নিশ্চিত হওয়া যায়, আসিফ মাহমুদ বুধবারই পদত্যাগ করতে পারেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদকে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁরা আরও সময় চান। এর মধ্যে মাহফুজ আলম সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যদিও তিনি নির্বাচন করবেন না বলে জানান।
গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবারও উচ্চপর্যায় থেকে তাদের পদত্যাগের বিষয়ে তাগাদা দেওয়া হয়। সরকার–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র বলছে, তফসিল ঘোষণার পর ছাত্র প্রতিনিধি উপদেষ্টাদের সরকারে থাকা অনুচিত—এ বিষয়ে অনেকেই একমত। তারা নির্বাচন করুন আর না করুন—তাদের পদত্যাগ প্রয়োজন।
গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। তখন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজনকে উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। আসিফ মাহমুদ প্রথমে শ্রম উপদেষ্টা এবং পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। আর মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























