ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষকদের

**বাংলার খবর ডেস্ক:**

বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে কর্মবিরতি চলবে বলেও জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শিক্ষকদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) এবং শিক্ষাসচিব রেহানা পারভীন শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বৈঠকে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “অর্থ উপদেষ্টা বিদেশ থেকে দেশে ফিরলে আগামী অর্থবছরে শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হবে।”

এদিকে শিক্ষাসচিব রেহানা পারভীন জানান, “আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৫ শতাংশ বা সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” তবে আন্দোলনরত শিক্ষকরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। গত ফেব্রুয়ারিতে আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম, কিন্তু এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফিরবো না।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনার নামে শুধু সময়ক্ষেপণ করছে। আমাদের ন্যায্য দাবি না মানলে আমরা শান্তিপূর্ণ অনশন অব্যাহত রাখব। প্রয়োজনে এখানে প্রাণও দেব, কিন্তু দাবির ব্যাপারে পিছু হটবো না।”

শিক্ষক নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাড়িভাড়া, উৎসব ভাতা ও বিনোদন ভাতা বাড়ানোর দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা আশা করেন, সরকার দ্রুত দাবি মেনে নেবে এবং দেশের লক্ষাধিক শিক্ষকের অনিশ্চয়তা দূর হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা শিক্ষকদের

আপডেট সময় ০৬:১২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

**বাংলার খবর ডেস্ক:**

বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে কর্মবিরতি চলবে বলেও জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শিক্ষকদের তিন দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) এবং শিক্ষাসচিব রেহানা পারভীন শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বৈঠকে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “অর্থ উপদেষ্টা বিদেশ থেকে দেশে ফিরলে আগামী অর্থবছরে শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হবে।”

এদিকে শিক্ষাসচিব রেহানা পারভীন জানান, “আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৫ শতাংশ বা সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” তবে আন্দোলনরত শিক্ষকরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। গত ফেব্রুয়ারিতে আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম, কিন্তু এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফিরবো না।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনার নামে শুধু সময়ক্ষেপণ করছে। আমাদের ন্যায্য দাবি না মানলে আমরা শান্তিপূর্ণ অনশন অব্যাহত রাখব। প্রয়োজনে এখানে প্রাণও দেব, কিন্তু দাবির ব্যাপারে পিছু হটবো না।”

শিক্ষক নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাড়িভাড়া, উৎসব ভাতা ও বিনোদন ভাতা বাড়ানোর দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা আশা করেন, সরকার দ্রুত দাবি মেনে নেবে এবং দেশের লক্ষাধিক শিক্ষকের অনিশ্চয়তা দূর হবে।