ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন Logo মাধবপুরে ট্রাক্টরের চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo রেমা-কালেঙ্গা বনে ট্রাক্টরসহ গাছ আটক, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নিয়ে সভা Logo বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ Logo ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে: আইজিপি Logo মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদিতে আবাসিক ভবনে মিসাইলের আঘাত, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ Logo লাখাইয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

আমির হামজার সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাহেরির তীব্র আক্রমণ ভাইরাল

বাংলার খবর ডেস্ক:

‘নবী (সা.) ছিলেন সংবাদবাহক, সেই অর্থে তিনিও সাংবাদিক ছিলেন’— জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী মুফতি আমির হামজার এমন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাকে ‘বেয়াদবিতে সেরা’ বলে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন আরেক বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরি।

বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তাহেরি লেখেন, “গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। এক দিন পরই দেখলাম মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর বেয়াদবিমূলক বক্তব্য দিলো। সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা।”

এর আগে, আরেক ফেসবুক পোস্টে আমির হামজাকে ইঙ্গিত করে তিনি লেখেন, “আল্লাহর হাবীব (দঃ) নাকি সাংবাদিক ছিলেন! নাউজুবিল্লাহ। মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার বাণী অনুযায়ী তার সিট কোথায় বরাদ্দ করা যেতে পারে?”

তাহেরির এ মন্তব্য প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ তাহেরির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন মন্তব্য শোভা পায় না। আবার অনেকে এটিকে ধর্মীয় বক্তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।

প্রসঙ্গত, ৮ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মুফতি আমির হামজা নবী (সা.) সম্পর্কে ওই বক্তব্য দেন। বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

অদ্ভুত বিষয় হলো, এর একদিন আগেই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ধর্মীয় বক্তাদের উদ্দেশে সংযম ও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। অথচ পরদিনই দলের এক প্রার্থী হিসেবে আমির হামজার এমন মন্তব্য সংগঠনের বার্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে ওঠে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বক্তাদের এমন অপ্রসঙ্গিক ও অসংযত মন্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন

error:

আমির হামজার সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাহেরির তীব্র আক্রমণ ভাইরাল

আপডেট সময় ০৮:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

‘নবী (সা.) ছিলেন সংবাদবাহক, সেই অর্থে তিনিও সাংবাদিক ছিলেন’— জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী মুফতি আমির হামজার এমন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাকে ‘বেয়াদবিতে সেরা’ বলে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন আরেক বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরি।

বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তাহেরি লেখেন, “গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। এক দিন পরই দেখলাম মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর বেয়াদবিমূলক বক্তব্য দিলো। সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা।”

এর আগে, আরেক ফেসবুক পোস্টে আমির হামজাকে ইঙ্গিত করে তিনি লেখেন, “আল্লাহর হাবীব (দঃ) নাকি সাংবাদিক ছিলেন! নাউজুবিল্লাহ। মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার বাণী অনুযায়ী তার সিট কোথায় বরাদ্দ করা যেতে পারে?”

তাহেরির এ মন্তব্য প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ তাহেরির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন মন্তব্য শোভা পায় না। আবার অনেকে এটিকে ধর্মীয় বক্তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।

প্রসঙ্গত, ৮ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মুফতি আমির হামজা নবী (সা.) সম্পর্কে ওই বক্তব্য দেন। বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

অদ্ভুত বিষয় হলো, এর একদিন আগেই জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ধর্মীয় বক্তাদের উদ্দেশে সংযম ও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। অথচ পরদিনই দলের এক প্রার্থী হিসেবে আমির হামজার এমন মন্তব্য সংগঠনের বার্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে ওঠে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বক্তাদের এমন অপ্রসঙ্গিক ও অসংযত মন্তব্য সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।