ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, সাড়ে চার হাজার শ্রমিকের পাওনা নিয়ে সংকট Logo লাখাইয়ে সালিশ বৈঠকে তালাক ও টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে যুবকের ওপর হামলা Logo সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত Logo লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু Logo প্রবাসীর লাগেজ হোম ডেলিভারি না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo হাইমচরের চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিল জ্ঞানের আলো সংগঠন Logo লাখাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে মামলার বাদী ও তাঁর পরিবারকে হত্যার হুমকির অভিযোগ Logo হাইমচরে ৫ নভেম্বরের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ বিএনপি নেতার Logo সিংহাগ্রামে অনাবৃষ্টি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ দোয়া

নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

বাংলার খবর ডেস্কঃ
দেশ এখন নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এজন্য বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে দেড় ঘণ্টাব্যাপী অফিসার্স অ্যাড্রেসে সেনা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে বাহিনীর শৃঙ্খলা, সততা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য, সেনাবাহিনী নিয়ে কটূক্তি, মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় পদস্থ কর্মকর্তা ছাড়াও সব সেনা স্থাপনার কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে সেনারা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন, যা আগে হয়নি। তাই জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে হবে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে—এগুলো দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে।”

কটূক্তি প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, “যারা সেনাবাহিনীকে নিয়ে কটূক্তি করছে, তারা তরুণ প্রজন্ম। তারা আমাদের সন্তানের বয়সি। বড় হলে নিজেরাই ভুল বুঝতে পারবে।”

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন, প্রতিশোধমূলক কোনো কাজে জড়ানো যাবে না। সেনা সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো যাবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “একজন সেনা কর্মকর্তাকে গড়ে তুলতে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করে। তাই অপরাধে জড়ানোর আগেই সতর্ক করতে হবে। অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পর বাড়ি পাঠিয়ে দিলে সেটি রাষ্ট্রের অর্থের অপচয়।”

এর আগে গত ২১ মে অফিসার্স অ্যাড্রেসে জাতীয় নির্বাচন ও সমসাময়িক ইস্যুতে বক্তব্য রাখেন সেনাপ্রধান। তখনও তিনি ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, সাড়ে চার হাজার শ্রমিকের পাওনা নিয়ে সংকট

error:

নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সহযোগিতা করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৭:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্কঃ
দেশ এখন নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এজন্য বাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে দেড় ঘণ্টাব্যাপী অফিসার্স অ্যাড্রেসে সেনা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে বাহিনীর শৃঙ্খলা, সততা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য, সেনাবাহিনী নিয়ে কটূক্তি, মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় পদস্থ কর্মকর্তা ছাড়াও সব সেনা স্থাপনার কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে সেনারা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন, যা আগে হয়নি। তাই জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে হবে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে—এগুলো দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে।”

কটূক্তি প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, “যারা সেনাবাহিনীকে নিয়ে কটূক্তি করছে, তারা তরুণ প্রজন্ম। তারা আমাদের সন্তানের বয়সি। বড় হলে নিজেরাই ভুল বুঝতে পারবে।”

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন, প্রতিশোধমূলক কোনো কাজে জড়ানো যাবে না। সেনা সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো যাবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, “একজন সেনা কর্মকর্তাকে গড়ে তুলতে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করে। তাই অপরাধে জড়ানোর আগেই সতর্ক করতে হবে। অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পর বাড়ি পাঠিয়ে দিলে সেটি রাষ্ট্রের অর্থের অপচয়।”

এর আগে গত ২১ মে অফিসার্স অ্যাড্রেসে জাতীয় নির্বাচন ও সমসাময়িক ইস্যুতে বক্তব্য রাখেন সেনাপ্রধান। তখনও তিনি ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন।