ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সজাগ থাকতে হবে, বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই: লাখাইয়ে জেলা প্রশাসক Logo হবিগঞ্জে ডিসি অফিসে হামলার শিকার মাহাদী হাসান, অভিযোগ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে Logo ট্রাক-বাস সংঘর্ষে আহত মাধবপুরের আব্দুল জব্বার আইসিইউতে, মানবিক সহায়তার আবেদন Logo মাধবপুরে ট্রাকের ধাক্কায় আহত লিটনের মৃত্যু, নিহত বেড়ে ৩ Logo ডেপুটি রেঞ্জার আশিক মিয়ার দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবন্ধী শানু মিয়ার অভিযোগ Logo ৭ দিনের মধ্যে মিলবে লাইসেন্স Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২

স্ত্রীর কিডনিতে প্রাণ ফিরে পেয়ে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী

বাংলার খবর ডেস্ক
ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের বাস্তব উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন সাভারের উম্মে সাহেদীনা টুনি। নিজের স্বামী মো. তারেকের জীবন বাঁচাতে তিনি নিজের একটি কিডনি দান করেন। কিন্তু সেই স্বামীই পরে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়।

২০০৬ সালে টুনির সঙ্গে বিয়ে হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী তারেকের। ২০০৮ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হন তারেক। স্ত্রী টুনি তাকে ভারতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান এবং ২০১৯ সালে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে কিডনি দেন।

কিন্তু সুস্থ হওয়ার পরপরই বদলে যান তারেক। তিনি ঢাকায় ফিরে অনলাইন জুয়া ও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বসবাস শুরু করেন এক ডিভোর্সি প্রেমিকার সঙ্গে।

টুনি পরে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করেন। তারেক গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান।

টুনি বলেন, “আমি শুধু চাই, এই প্রতারক যেন শাস্তি পায়। কেউ যেন এমন বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সজাগ থাকতে হবে, বিরোধ নিষ্পত্তিতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই: লাখাইয়ে জেলা প্রশাসক

স্ত্রীর কিডনিতে প্রাণ ফিরে পেয়ে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী

আপডেট সময় ০৩:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক
ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের বাস্তব উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন সাভারের উম্মে সাহেদীনা টুনি। নিজের স্বামী মো. তারেকের জীবন বাঁচাতে তিনি নিজের একটি কিডনি দান করেন। কিন্তু সেই স্বামীই পরে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়।

২০০৬ সালে টুনির সঙ্গে বিয়ে হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী তারেকের। ২০০৮ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হন তারেক। স্ত্রী টুনি তাকে ভারতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান এবং ২০১৯ সালে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে কিডনি দেন।

কিন্তু সুস্থ হওয়ার পরপরই বদলে যান তারেক। তিনি ঢাকায় ফিরে অনলাইন জুয়া ও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বসবাস শুরু করেন এক ডিভোর্সি প্রেমিকার সঙ্গে।

টুনি পরে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করেন। তারেক গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান।

টুনি বলেন, “আমি শুধু চাই, এই প্রতারক যেন শাস্তি পায়। কেউ যেন এমন বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়।”