
বাংলার খবর ডেস্ক:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠকে পুলিশের অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় পুলিশের ওপর হামলা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। পরে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা হয়েছে ১৪টি মোটরসাইকেল।
সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট হাইওয়ে-সংলগ্ন উলুবুনিয়া বওনাঘোনা এলাকার কামাল চেয়ারম্যানের মাছের প্রজেক্টে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ইমতিয়াজ আহম্মেদ আবতাহি (২০), নাজমুল হক (২১), সাকিবুর রহমান (২১), মো. নেজাম উদ্দিন (৩৪), রায়হান উদ্দিন (৩০), ইলিহাস উদ্দিন (১৯), জসিম উদ্দিন বাবুল (৪২), রবিউল হোসেন (২৮) ও রেজাউল করিম টিটু (৪২)।
পুলিশের দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, জেলহত্যা দিবস পালনকে কেন্দ্র করে চকরিয়া ও মাতামুহুরী এলাকার ১৮টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ২০০ থেকে ২৫০ জন নেতাকর্মী ওই স্থানে সমবেত হয়েছেন। সেখানে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক চলছিল বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশ আরও জানায়, দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশের অভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত ব্যক্তিদের একটি অংশ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৪টি মোটরসাইকেল জব্দ করে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















