ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ক্ষুদে ডাক্তারদের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo মাধবপুরে দুই প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৪১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার Logo মাধবপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান সিনেটে জয়ী আবদুল এল-সায়েদ, হতে যাচ্ছেন প্রথম মুসলিম সিনেটর Logo চা শ্রমিকদের অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকারে চাঁন্দপুরে নিপেন পাল প্যানেলের মতবিনিময় Logo মাধবপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেঝেতে বসে পাঠদানে মেতে উঠলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo জামালপুরে ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন Logo মাধবপুরে তিন বছর পর সেফটি ট্যাংক থেকে মিলল মহব্বত আলীর দেহাবশেষ, হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন Logo মাধবপুরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল আদাঐর সালমান ট্রেডার্স একাদশ

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কারে যুবকদের নিয়ে মাঠে নামলেন রহিম মিয়া

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হাসপাতাল মানেই সুস্থতার প্রত্যাশা নিয়ে মানুষের ছুটে আসা। অথচ সেই হাসপাতালের পরিবেশই যদি অপরিচ্ছন্ন থাকে, তাহলে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতি দেখে নীরব দর্শক হয়ে থাকেননি রহিম মিয়া। নিজ উদ্যোগে কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে নেমে পড়েছেন হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে। তাঁর এ উদ্যোগে প্রশংসা করছেন রোগী, স্বজন ও স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা যায় ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে রহিম মিয়ার নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে হাসপাতাল এলাকায় পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া পড়ে।

জানা গেছে, রহিম মিয়া নাসিরনগর উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ছাতিয়ানবাজারে ব্যবসা করেন। ব্যবসায়িক ব্যস্ততার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় এলাকার সামাজিক সমস্যা, জনদুর্ভোগ ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করেন তিনি। এসব সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা নিজের ‘রহিম’ নামের ফেসবুক পেজে তুলে ধরে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন।

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ তাঁর নজরে আসার পর শুধু আলোচনা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখিতে সীমাবদ্ধ থাকেননি। বরং নিজেই উদ্যোগ নিয়ে কয়েকজন যুবককে সঙ্গে করে পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন। তাঁর এ উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সমস্যা নিয়ে শুধু সমালোচনা নয়, সামর্থ্য অনুযায়ী সমাধানে এগিয়ে আসার বার্তাও উঠে এসেছে।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি হাসপাতালসহ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে নাগরিক সচেতনতা ও সামাজিক অংশগ্রহণও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রহিম মিয়া ও তাঁর সহযোগীদের মতো স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ অন্যদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহিত করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি রোগীদের স্বস্তি, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত। ব্যক্তিগত উদ্যোগে রহিম মিয়া ও একদল যুবকের এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম মাধবপুরে সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ক্ষুদে ডাক্তারদের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

error:

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কারে যুবকদের নিয়ে মাঠে নামলেন রহিম মিয়া

আপডেট সময় ০৭:০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হাসপাতাল মানেই সুস্থতার প্রত্যাশা নিয়ে মানুষের ছুটে আসা। অথচ সেই হাসপাতালের পরিবেশই যদি অপরিচ্ছন্ন থাকে, তাহলে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতি দেখে নীরব দর্শক হয়ে থাকেননি রহিম মিয়া। নিজ উদ্যোগে কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে নেমে পড়েছেন হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে। তাঁর এ উদ্যোগে প্রশংসা করছেন রোগী, স্বজন ও স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা যায় ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ। হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে রহিম মিয়ার নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে হাসপাতাল এলাকায় পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া পড়ে।

জানা গেছে, রহিম মিয়া নাসিরনগর উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ছাতিয়ানবাজারে ব্যবসা করেন। ব্যবসায়িক ব্যস্ততার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় এলাকার সামাজিক সমস্যা, জনদুর্ভোগ ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করেন তিনি। এসব সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা নিজের ‘রহিম’ নামের ফেসবুক পেজে তুলে ধরে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন।

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ তাঁর নজরে আসার পর শুধু আলোচনা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখিতে সীমাবদ্ধ থাকেননি। বরং নিজেই উদ্যোগ নিয়ে কয়েকজন যুবককে সঙ্গে করে পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন। তাঁর এ উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সমস্যা নিয়ে শুধু সমালোচনা নয়, সামর্থ্য অনুযায়ী সমাধানে এগিয়ে আসার বার্তাও উঠে এসেছে।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি হাসপাতালসহ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে নাগরিক সচেতনতা ও সামাজিক অংশগ্রহণও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রহিম মিয়া ও তাঁর সহযোগীদের মতো স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ অন্যদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহিত করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়; এটি রোগীদের স্বস্তি, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত। ব্যক্তিগত উদ্যোগে রহিম মিয়া ও একদল যুবকের এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম মাধবপুরে সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।