ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসিরনগরে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি শিল্পে সম্ভাবনা, প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা Logo চুনারুঘাটে ডেনমার্ক প্রবাসীর মায়ের স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ Logo লাখাইয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নোমান সারওয়ার জনির জন্মদিন উদযাপন Logo মাধবপুরে ছয় দিন ধরে বন্ধ চার চা বাগান, সাড়ে চার হাজার শ্রমিকের পাওনা নিয়ে সংকট Logo লাখাইয়ে সালিশ বৈঠকে তালাক ও টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে যুবকের ওপর হামলা Logo সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত Logo লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু Logo প্রবাসীর লাগেজ হোম ডেলিভারি না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo হাইমচরের চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিল জ্ঞানের আলো সংগঠন Logo লাখাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা

নাসিরনগরে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি শিল্পে সম্ভাবনা, প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা

মো. আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি তৈরির ঐতিহ্য। স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের অনেক পরিবারের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের অন্যতম উৎস এই শিল্প। প্রতিবছর নির্দিষ্ট মৌসুমে নদীর পাড়ে বাঁশের মাচা তৈরি করে চলে শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ। এ শিল্পকে ঘিরে মৌসুমজুড়ে জেলে পাড়ায় সৃষ্টি হয় কর্মচাঞ্চল্য।

স্থানীয় উৎপাদকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি মাচায় মাসে প্রায় ২০০ মণ শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত করা হয়। বর্তমানে বাজারে আকারভেদে প্রতি মণ শুঁটকির দাম প্রায় ২৪ হাজার থেকে ২৮ হাজার টাকা। এ শিল্পের সঙ্গে মাছ সংগ্রহকারী, শ্রমিক, শুঁটকি প্রস্তুতকারী, পরিবহনকর্মী ও ব্যবসায়ীরা যুক্ত রয়েছেন।

শুঁটকি তৈরির প্রতিটি ধাপেই প্রয়োজন শ্রম ও সময়। মাছ সংগ্রহ থেকে শুরু করে বাছাই, পরিষ্কার, মাচায় সাজানো, রোদে শুকানো এবং সংরক্ষণের কাজে নারী-পুরুষ উভয়েই অংশ নেন। পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এসব কাজ করায় একদিকে পারিবারিক কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে মৌসুমভিত্তিক কাজের সুযোগ পাচ্ছেন স্থানীয় অনেক মানুষ।

বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ এ শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ঘরের কাজের পাশাপাশি শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণে যুক্ত হয়ে তাঁরা পরিবারের আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও নিজস্ব কৌশল কাজে লাগিয়ে তাঁরা ধরে রেখেছেন এ ঐতিহ্য।

তবে বাজারে শুঁটকির দাম তুলনামূলক ভালো হলেও উৎপাদকদের লাভের পরিমাণ সব সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় না। স্থানীয় উৎপাদকদের মতে, মাছ সংগ্রহ, শ্রমিকের মজুরি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, শুকানোর জায়গা, পরিবহন ও সংরক্ষণসহ বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা। বৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে মাছ ঠিকমতো শুকানো না গেলে পণ্যের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কয়েকজন উৎপাদক জানান, শুঁটকির বাজারমূল্য ভালো হলেও উৎপাদন খরচ ও শ্রমের হিসাব মেলাতে গিয়ে লাভের অংশ সীমিত থাকে। ফলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কঠোর পরিশ্রমের পরও অনেক সময় প্রত্যাশিত আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায় না।

নাসিরনগরের জেলে সম্প্রদায়ের কাছে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি উৎপাদন শুধু ব্যবসা নয়, বরং বংশপরম্পরায় চলে আসা ঐতিহ্য ও জীবনসংগ্রামের অংশ। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে এ পেশাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি হয়। গড়ে ওঠে উৎপাদক, শ্রমিক, পরিবহনকর্মী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীল একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে এ খাত থেকে আরও বেশি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা, উন্নত শুকানোর প্রযুক্তি, মানসম্মত সংরক্ষণাগার এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা গেলে উৎপাদনের মান ও পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব।

এ জন্য সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং দেশের বিভিন্ন বাজারে বিপণনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও উপযুক্ত মোড়কজাতকরণের মাধ্যমে নাসিরনগরের পুঁটি মাছের শুঁটকিকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নাসিরনগরের চ্যাপা শুঁটকি উৎপাদনকারীদের জীবনমান উন্নয়নে মৎস্য অধিদপ্তরের কী ধরনের পদক্ষেপ রয়েছে, জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ জানান, বর্তমানে এ এলাকায় এ ধরনের কোনো প্রকল্প চালু নেই। তিন বছর আগে একটি প্রকল্প ছিল। জাতিসংঘের এফইউ নামের একটি প্রকল্প আশুগঞ্জে কাজ করছে। সেখানে লালপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি চ্যাপা শুঁটকি তৈরির মাচা রয়েছে। নাসিরনগরকেও ওই প্রকল্পের আওতায় আনার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগে এ শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব। উৎপাদকদের প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি শুকানোর স্থান এবং স্থায়ী বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে এ খাতের উৎপাদন ও আয় বাড়তে পারে।

বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে পারিবারিক পর্যায়ের এ উৎপাদন কার্যক্রম আরও সংগঠিত শিল্পে রূপ নিতে পারে। স্থানীয় জেলেদের শ্রম, অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে নাসিরনগরের পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি শিল্পকে আরও এগিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরনগরে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি শিল্পে সম্ভাবনা, প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা

error:

নাসিরনগরে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি শিল্পে সম্ভাবনা, প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা

আপডেট সময় ১১:২৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

মো. আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি তৈরির ঐতিহ্য। স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের অনেক পরিবারের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের অন্যতম উৎস এই শিল্প। প্রতিবছর নির্দিষ্ট মৌসুমে নদীর পাড়ে বাঁশের মাচা তৈরি করে চলে শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ। এ শিল্পকে ঘিরে মৌসুমজুড়ে জেলে পাড়ায় সৃষ্টি হয় কর্মচাঞ্চল্য।

স্থানীয় উৎপাদকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি মাচায় মাসে প্রায় ২০০ মণ শুঁটকি প্রক্রিয়াজাত করা হয়। বর্তমানে বাজারে আকারভেদে প্রতি মণ শুঁটকির দাম প্রায় ২৪ হাজার থেকে ২৮ হাজার টাকা। এ শিল্পের সঙ্গে মাছ সংগ্রহকারী, শ্রমিক, শুঁটকি প্রস্তুতকারী, পরিবহনকর্মী ও ব্যবসায়ীরা যুক্ত রয়েছেন।

শুঁটকি তৈরির প্রতিটি ধাপেই প্রয়োজন শ্রম ও সময়। মাছ সংগ্রহ থেকে শুরু করে বাছাই, পরিষ্কার, মাচায় সাজানো, রোদে শুকানো এবং সংরক্ষণের কাজে নারী-পুরুষ উভয়েই অংশ নেন। পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এসব কাজ করায় একদিকে পারিবারিক কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে মৌসুমভিত্তিক কাজের সুযোগ পাচ্ছেন স্থানীয় অনেক মানুষ।

বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ এ শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ঘরের কাজের পাশাপাশি শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণে যুক্ত হয়ে তাঁরা পরিবারের আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও নিজস্ব কৌশল কাজে লাগিয়ে তাঁরা ধরে রেখেছেন এ ঐতিহ্য।

তবে বাজারে শুঁটকির দাম তুলনামূলক ভালো হলেও উৎপাদকদের লাভের পরিমাণ সব সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী হয় না। স্থানীয় উৎপাদকদের মতে, মাছ সংগ্রহ, শ্রমিকের মজুরি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, শুকানোর জায়গা, পরিবহন ও সংরক্ষণসহ বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা। বৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে মাছ ঠিকমতো শুকানো না গেলে পণ্যের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কয়েকজন উৎপাদক জানান, শুঁটকির বাজারমূল্য ভালো হলেও উৎপাদন খরচ ও শ্রমের হিসাব মেলাতে গিয়ে লাভের অংশ সীমিত থাকে। ফলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কঠোর পরিশ্রমের পরও অনেক সময় প্রত্যাশিত আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায় না।

নাসিরনগরের জেলে সম্প্রদায়ের কাছে পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি উৎপাদন শুধু ব্যবসা নয়, বরং বংশপরম্পরায় চলে আসা ঐতিহ্য ও জীবনসংগ্রামের অংশ। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে এ পেশাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি হয়। গড়ে ওঠে উৎপাদক, শ্রমিক, পরিবহনকর্মী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীল একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে এ খাত থেকে আরও বেশি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা, উন্নত শুকানোর প্রযুক্তি, মানসম্মত সংরক্ষণাগার এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা গেলে উৎপাদনের মান ও পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব।

এ জন্য সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং দেশের বিভিন্ন বাজারে বিপণনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও উপযুক্ত মোড়কজাতকরণের মাধ্যমে নাসিরনগরের পুঁটি মাছের শুঁটকিকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নাসিরনগরের চ্যাপা শুঁটকি উৎপাদনকারীদের জীবনমান উন্নয়নে মৎস্য অধিদপ্তরের কী ধরনের পদক্ষেপ রয়েছে, জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ জানান, বর্তমানে এ এলাকায় এ ধরনের কোনো প্রকল্প চালু নেই। তিন বছর আগে একটি প্রকল্প ছিল। জাতিসংঘের এফইউ নামের একটি প্রকল্প আশুগঞ্জে কাজ করছে। সেখানে লালপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি চ্যাপা শুঁটকি তৈরির মাচা রয়েছে। নাসিরনগরকেও ওই প্রকল্পের আওতায় আনার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগে এ শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব। উৎপাদকদের প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি শুকানোর স্থান এবং স্থায়ী বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে এ খাতের উৎপাদন ও আয় বাড়তে পারে।

বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে পারিবারিক পর্যায়ের এ উৎপাদন কার্যক্রম আরও সংগঠিত শিল্পে রূপ নিতে পারে। স্থানীয় জেলেদের শ্রম, অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে নাসিরনগরের পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকি শিল্পকে আরও এগিয়ে নেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।