
বাংলার খবর ১৪ ডেস্ক নিউজ : কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং কৃষকদের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১ লাখ ১০ হাজার টন এমওপি, ডিএপি ও ইউরিয়া সার আমদানির তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির ৪৩তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ১৮টি ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, বেলারুশ থেকে বেসরকারি পর্যায়ে মেসার্স সুফলা ট্রেডিং করপোরেশনের মাধ্যমে ৩০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। প্রতি টনের মূল্য ৩৯৮ দশমিক ৯৭ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার।
মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস, এস.এ. থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি টনের দাম ৮৮৯ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার হিসেবে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ১৮০ টাকা।
এ ছাড়া সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। প্রতি টনের মূল্য ৩৯১ দশমিক ৬৬ মার্কিন ডলার এবং মোট ব্যয় হবে ১৯৩ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৩৬০ টাকা।
সভায় দেশের আটটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ডিজিটাল এক্স-রে, এনজিওগ্রাফি, এমআরআই, সিটি স্ক্যানার, ম্যামোগ্রাফি, আল্ট্রাসনোগ্রাফিসহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের সড়ক ও সেতু পুনর্বাসন ও পুনঃনির্মাণের দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বেনাপোল স্থলবন্দরে পোর্ট ভবন, পার্কিং, ইয়ার্ড, শেড, গুদাম ও ট্রান্সশিপমেন্ট শেড নির্মাণের দুটি প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৯ হাজার টন ছোলা এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পাশাপাশি টোটালএনার্জিস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।
অন্যদিকে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ডিএপিএফসিএল ও টিএসপিসিএলের জন্য ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির দুটি প্রস্তাব আলোচনা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১সহ জ্বালানি তেল কেনার কয়েকটি প্রস্তাবে দরদাতাদের প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স মূল্য নিয়ে আরও আলোচনা করে পুনরায় সভায় উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 




















