
জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
ফলাফল অনুযায়ী, মাধবপুর উপজেলার ২৬টি সাধারণ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ২ হাজার ২৬৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৪০৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট ৯৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। উপজেলায় এসব প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক পাসের হার ৬১ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ অর্জন করলেও ১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
জিপিএ-৫ না পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, সাউথ কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়, ধর্মঘর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, দেবপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ডা. জহির হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়, চৌমুহনী খুরশিদ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাহেবনগর উচ্চ বিদ্যালয়, আদায়ের লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয়, সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বানেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, ডা. মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়।
অন্যদিকে, জিপিএ-৫ অর্জনের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। জগদীশপুর যোগেশচন্দ্র হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৭ জন, প্রেমদাময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২ জন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ জন, শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ জন এবং গোবিন্দপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এ ছাড়া আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ জন, ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪ জন, সৈয়দ সঈদ উদ্দিন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪ জন, মনতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ জন এবং বঙ্গবীর ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
অগ্রণী/আহমদপুর আর.কে. উচ্চ বিদ্যালয়, তালিবপুর আহসানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং অঙ্গুরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের একজন করে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মাধবপুরের ২৬টি সাধারণ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৬১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ভালো হলেও সেসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















