ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন দেশের ৬ দর্শনীয় স্থানে Logo জামালপুরে ডাবগাছের মগডালে সাড়ে তিন ঘণ্টা, পুলিশের ভয়ে নামলেন না যুবক Logo মালদ্বীপে ফেনী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা Logo ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হাইমচরে বিএনপির ১৩০ নেতাকর্মীর পদত্যাগ Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন

মাধবপুরের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা ভূমি অফিস ও বহরা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পশ্চিম পাশে অবস্থিত একটি সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সেতুটির দুটি পিলার ভেঙে গেছে। পাশাপাশি পিলারের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনতলা-জগদীশপুর সড়ক থেকে মনতলা ভূমি অফিস ও মনতলা উপ-স্বাস্থ্যকল্যাণ কেন্দ্রে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেতুটি। প্রতিদিন ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ, রোগী, শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ শত শত মানুষ এই সেতু দিয়ে চলাচল করেন। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারাও দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য সেতুটির ওপর নির্ভরশীল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও কার্যকর কোনো সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢলে পিলারের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে। প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে সেতু পার হতে হচ্ছে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা বলেন, দ্রুত সংস্কার কিংবা নতুন সেতু নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একটি নিরাপদ সেতু নির্মাণ করা হলে শুধু জনদুর্ভোগই কমবে না, ভূমি অফিস ও উপ-স্বাস্থ্যকল্যাণ কেন্দ্রে সেবা গ্রহণও সহজ ও নিরাপদ হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, “এ বছর অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হচ্ছে। বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।”

উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমাদের প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই ভূমি অফিসে আসা-যাওয়া করতে হয়। সাধারণ মানুষও চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। দ্রুত সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।”

স্থানীয়দের দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি সংস্কার অথবা নতুন সেতু নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন দেশের ৬ দর্শনীয় স্থানে

error:

মাধবপুরের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা

আপডেট সময় ০৭:৪২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা ভূমি অফিস ও বহরা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পশ্চিম পাশে অবস্থিত একটি সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সেতুটির দুটি পিলার ভেঙে গেছে। পাশাপাশি পিলারের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মনতলা-জগদীশপুর সড়ক থেকে মনতলা ভূমি অফিস ও মনতলা উপ-স্বাস্থ্যকল্যাণ কেন্দ্রে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেতুটি। প্রতিদিন ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ, রোগী, শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ শত শত মানুষ এই সেতু দিয়ে চলাচল করেন। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারাও দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য সেতুটির ওপর নির্ভরশীল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও কার্যকর কোনো সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢলে পিলারের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে। প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে সেতু পার হতে হচ্ছে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা বলেন, দ্রুত সংস্কার কিংবা নতুন সেতু নির্মাণ করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একটি নিরাপদ সেতু নির্মাণ করা হলে শুধু জনদুর্ভোগই কমবে না, ভূমি অফিস ও উপ-স্বাস্থ্যকল্যাণ কেন্দ্রে সেবা গ্রহণও সহজ ও নিরাপদ হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, “এ বছর অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হচ্ছে। বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।”

উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমাদের প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই ভূমি অফিসে আসা-যাওয়া করতে হয়। সাধারণ মানুষও চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। দ্রুত সেতুটি সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।”

স্থানীয়দের দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি সংস্কার অথবা নতুন সেতু নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে।