ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৃন্দাবন চা বাগানে চা শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ Logo মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সুরমা চা বাগান যুব সংঘের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক Logo লাখাইয়ে ৮১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মাধবপুর ইউএনওর সরকারি গাড়ি Logo আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী Logo মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল অকেজো, কাজে আসছে না বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ায় নতুন বাস্তবতা অনুযায়ী তা সংশোধন কিংবা নতুন চুক্তি সইয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে। ফলে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার চালু হতে আরও সময় লাগবে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানান। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী করার বিষয়ে একমত হয়। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমিয়ে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জানা গেছে, বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাই নতুন করে দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় চুক্তি করার পরিবর্তে বর্তমান এমওইউ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এ বিষয়ে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে।

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর জন্য সরকার কাজ করছে এবং দ্রুত কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরও জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশি কর্মীদের শোষণ, প্রতারণা ও অমানবিক আচরণ বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে মানবিক ও স্বচ্ছ করার ওপর জোর দেন।

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের মতে, নতুন এমওইউ স্বাক্ষরের পরিবর্তে বর্তমান চুক্তি সংশোধন করা হলে দ্রুত শ্রমবাজার চালু করা সম্ভব হবে। তারা মনে করেন, অতীতে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের কারণে বারবার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। তাই টেকসই ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

জনশক্তি ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ১৪টি দেশ থেকে কর্মী নিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বারবার শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাস থেকে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো বন্ধ রয়েছে।

আগামী মাসে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী আর. রামানানের ঢাকা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সফরে দুই দেশের মধ্যে শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, বৈষম্যমুক্ত ও নৈতিক করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃন্দাবন চা বাগানে চা শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ

error:

শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

আপডেট সময় ০২:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ায় নতুন বাস্তবতা অনুযায়ী তা সংশোধন কিংবা নতুন চুক্তি সইয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে। ফলে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার চালু হতে আরও সময় লাগবে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানান। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী করার বিষয়ে একমত হয়। একই সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমিয়ে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জানা গেছে, বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাই নতুন করে দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় চুক্তি করার পরিবর্তে বর্তমান এমওইউ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এ বিষয়ে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে।

প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর জন্য সরকার কাজ করছে এবং দ্রুত কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরও জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশি কর্মীদের শোষণ, প্রতারণা ও অমানবিক আচরণ বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে মানবিক ও স্বচ্ছ করার ওপর জোর দেন।

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের মতে, নতুন এমওইউ স্বাক্ষরের পরিবর্তে বর্তমান চুক্তি সংশোধন করা হলে দ্রুত শ্রমবাজার চালু করা সম্ভব হবে। তারা মনে করেন, অতীতে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের কারণে বারবার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। তাই টেকসই ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

জনশক্তি ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ১৪টি দেশ থেকে কর্মী নিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বারবার শ্রমবাজার বন্ধ হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাস থেকে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো বন্ধ রয়েছে।

আগামী মাসে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী আর. রামানানের ঢাকা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সফরে দুই দেশের মধ্যে শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, বৈষম্যমুক্ত ও নৈতিক করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।