ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠকে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৯ Logo মাধবপুরে ক্ষুদে ডাক্তারদের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo মাধবপুরে দুই প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৪১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার Logo মাধবপুরে প্রাথমিক শিক্ষার বহুমাত্রিক কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান সিনেটে জয়ী আবদুল এল-সায়েদ, হতে যাচ্ছেন প্রথম মুসলিম সিনেটর Logo চা শ্রমিকদের অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকারে চাঁন্দপুরে নিপেন পাল প্যানেলের মতবিনিময় Logo মাধবপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেঝেতে বসে পাঠদানে মেতে উঠলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo জামালপুরে ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন Logo মাধবপুরে তিন বছর পর সেফটি ট্যাংক থেকে মিলল মহব্বত আলীর দেহাবশেষ, হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

মাদক কারবারি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ডিবির এসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

মাদক কারবারি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ডিবির এসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের হেফাজত থেকে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৫ জুন বিকেলে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের দেবনগর গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এসআই মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে ডিবির তিন কনস্টেবল এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার দুই কনস্টেবল অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে দেবনগর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে ও পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি জুয়েল মিয়া (৩০)-কে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে ডিবির দুই সদস্য আহত হন।

একপর্যায়ে স্থানীয় কিছু লোক ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সৃষ্ট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগে জুয়েল মিয়া হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

ঘটনার পর বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে এলে গত ১৭ জুন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ প্রশাসনিক কারণে ডিবির এসআই মো. সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন, ইয়াকুব মিয়া, মো. আলমগীর কবির এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার কনস্টেবল শরীফুল ইসলাম খান ও মো. সোহাগ মিয়াকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করেন।

ধর্মঘর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মামুন মিয়া বলেন, ডিবি সদস্যরা সাদা পোশাকে থাকায় স্থানীয় অনেকেই তাদের পরিচয় বুঝতে পারেননি। ফলে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে জুয়েল মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠকে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৯

error:

মাদক কারবারি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ডিবির এসআইসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের হেফাজত থেকে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৫ জুন বিকেলে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের দেবনগর গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এসআই মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে ডিবির তিন কনস্টেবল এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার দুই কনস্টেবল অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে দেবনগর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে ও পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি জুয়েল মিয়া (৩০)-কে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে ডিবির দুই সদস্য আহত হন।

একপর্যায়ে স্থানীয় কিছু লোক ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সৃষ্ট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগে জুয়েল মিয়া হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

ঘটনার পর বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে এলে গত ১৭ জুন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ প্রশাসনিক কারণে ডিবির এসআই মো. সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন, ইয়াকুব মিয়া, মো. আলমগীর কবির এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার কনস্টেবল শরীফুল ইসলাম খান ও মো. সোহাগ মিয়াকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করেন।

ধর্মঘর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মামুন মিয়া বলেন, ডিবি সদস্যরা সাদা পোশাকে থাকায় স্থানীয় অনেকেই তাদের পরিচয় বুঝতে পারেননি। ফলে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে জুয়েল মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।