
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের হেফাজত থেকে এক চিহ্নিত মাদক কারবারি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত ১৫ জুন বিকেলে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের দেবনগর গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। এসআই মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে ডিবির তিন কনস্টেবল এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার দুই কনস্টেবল অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে দেবনগর গ্রামের মৃত কালা মিয়ার ছেলে ও পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি জুয়েল মিয়া (৩০)-কে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে ডিবির দুই সদস্য আহত হন।
একপর্যায়ে স্থানীয় কিছু লোক ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সৃষ্ট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগে জুয়েল মিয়া হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
ঘটনার পর বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে এলে গত ১৭ জুন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ প্রশাসনিক কারণে ডিবির এসআই মো. সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন, ইয়াকুব মিয়া, মো. আলমগীর কবির এবং হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার কনস্টেবল শরীফুল ইসলাম খান ও মো. সোহাগ মিয়াকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করেন।
ধর্মঘর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মামুন মিয়া বলেন, ডিবি সদস্যরা সাদা পোশাকে থাকায় স্থানীয় অনেকেই তাদের পরিচয় বুঝতে পারেননি। ফলে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে জুয়েল মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















