ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত সুরঞ্জন দাস গ্রেফতার; কারাগারে প্রেরণ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের কবিরাজ আব্দুর রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলেন। এরপর ঘরে থাকা ১৭ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আব্দুর রহিমকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত সুরঞ্জন দাস গ্রেফতার; কারাগারে প্রেরণ

আপডেট সময় ০৫:৪১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের কবিরাজ আব্দুর রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলেন। এরপর ঘরে থাকা ১৭ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আব্দুর রহিমকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।