ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত সুরঞ্জন দাস গ্রেফতার; কারাগারে প্রেরণ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের কবিরাজ আব্দুর রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলেন। এরপর ঘরে থাকা ১৭ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আব্দুর রহিমকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত সুরঞ্জন দাস গ্রেফতার; কারাগারে প্রেরণ

আপডেট সময় ০৫:৪১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের কবিরাজ আব্দুর রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলেন। এরপর ঘরে থাকা ১৭ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আব্দুর রহিমকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।