ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা মহাসড়কের চার লেনের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি তাহেরীর Logo লাখাইয়ে জনবান্ধব পুলিশিংয়ে প্রশংসিত ওসি শরীফ আহমেদ: মারামারি-দাঙ্গা কমেছে ৮০% Logo লাখাইয়ে ৫৩৩ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল, জানা যাবে ২ভাবে Logo মাধবপুরে ৫৫ বিজিবির অভিযান: ৮ ভারতীয় গরু, ১০ কেজি গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার Logo এমপি ফয়সলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি Logo রেকর্ড দামে চা বিক্রি: উৎপাদন ও আয়ে এনটিসির নতুন মাইলফলক Logo ইনসেনটিভ কোচিং সেন্টারে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo মাধবপুরে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ Logo সৈয়দ মোঃ ফয়সল: উন্নয়ন, সততা ও গণমানুষের আস্থার প্রতীক

ডিসি সম্মেলনে উঠবে ৪৯৮ প্রস্তাব, রাষ্ট্রপতি-স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ৩ মে। এবারের সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের মোট ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের আয়োজন রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবারের ডিসি সম্মেলন আগামী ৬ মে পর্যন্ত চলবে। সম্মেলন উপলক্ষে ৮ জন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার বিভিন্ন বিষয় ৩৪টি কার্য-অধিবেশনে আলোচনা করা হবে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কার্যক্রম শুরু হবে। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের সম্মেলনের বিশেষ দিক হলো রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জনদুর্ভোগ কমানো, ভূমি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

এছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন, গুজব প্রতিরোধে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার প্রস্তাবও উঠে এসেছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মাদক প্রবেশ ঠেকানো, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা খাতে বিভিন্ন সংস্কারের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও সুপারিশ এসেছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও মাঠ প্রশাসনের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে প্রতিবছর এই ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা মহাসড়কের চার লেনের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি তাহেরীর

error:

ডিসি সম্মেলনে উঠবে ৪৯৮ প্রস্তাব, রাষ্ট্রপতি-স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ৩ মে। এবারের সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের মোট ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের আয়োজন রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবারের ডিসি সম্মেলন আগামী ৬ মে পর্যন্ত চলবে। সম্মেলন উপলক্ষে ৮ জন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৫৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার বিভিন্ন বিষয় ৩৪টি কার্য-অধিবেশনে আলোচনা করা হবে। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কার্যক্রম শুরু হবে। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের সম্মেলনের বিশেষ দিক হলো রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জনদুর্ভোগ কমানো, ভূমি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

এছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন, গুজব প্রতিরোধে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার প্রস্তাবও উঠে এসেছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মাদক প্রবেশ ঠেকানো, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা খাতে বিভিন্ন সংস্কারের প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও সুপারিশ এসেছে।

সরকারের নীতিনির্ধারক ও মাঠ প্রশাসনের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে প্রতিবছর এই ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।