
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে হবিগঞ্জ-৪ আসন (মাধবপুর–চুনারুঘাট) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। তার সংসদে উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই আসনে কার্যকর জনপ্রতিনিধির অভাব থাকায় দুই উপজেলার প্রায় ছয় লাখ মানুষের বহু প্রত্যাশিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে সৈয়দ মোঃ ফয়সল প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে বিপুল বিজয় অর্জন করেন। মাধবপুর ও চুনারুঘাটের ২১টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার জনগণ দলমত নির্বিশেষে তাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তার অভিজ্ঞতা, মেধা ও নেতৃত্বের গুণে এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।
মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানসহ নানা সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি দীর্ঘদিনের।
চুনারুঘাট উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান বলেন, লাখো মানুষের ভোটে সৈয়দ মোঃ ফয়সল সংসদে গেছেন—এটি আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মাধবপুর ও চুনারুঘাটের সমস্যাগুলো সংসদে তুলে ধরা এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, এই দুই উপজেলায় মোট ২৮টি চা বাগান রয়েছে। এসব বাগানে বিশুদ্ধ পানির সংকটসহ নানা মৌলিক সমস্যা রয়েছে। সংসদ সদস্য বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে সংসদে উপস্থাপন করলে চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী বলেন, আজ থেকে মাধবপুর ও চুনারুঘাটে উন্নয়নের নতুন যাত্রা শুরু হলো। আমাদের অভিভাবক সংসদে গেছেন জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য।
সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, মাধবপুর ও চুনারুঘাটের জনগণ আমাকে যে আস্থা ও ভালোবাসা দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন, আমি সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে চাই। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং চা বাগান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরব এবং উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























