ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যা, আদালতে দায় স্বীকার গৃহবধূর Logo মাধবপুরে নেশাগ্রস্ত ছেলের অত্যাচারে পিতা বাড়িছাড়া, ইউএনওর কাছে অভিযোগ Logo বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত Logo চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক? Logo পূর্ব ইটাখোলায় ক্বারিয়ানা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন Logo ঈদের আগে উপজেলা, পরে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ Logo মানবতার সেবায় ‘সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’: মৌলভীবাজারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মোঃ সোহেল রানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদ সদস্যের চিঠি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবাধে মাদক প্রবেশের অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান।

সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠজন ও জেলা বিএনপির এক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিজ সংসদীয় এলাকায় মাদক নির্মূলে তিনি জিরো টলারেন্স নীতিতে অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনের আগেও তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে এ বিষয়ে আলোচনা ও উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমল থেকে কসবা উপজেলার বায়েক ও কায়েমপুর ইউনিয়ন এবং আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ, মোগড়া, দক্ষিণ ও উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চোরাই পথ দিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজর এড়িয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন গাঁজা, ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য দেশে প্রবেশ করছে। এসব মাদক সড়ক ও রেলপথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সীমান্ত এলাকার কিছু চিহ্নিত চোরাকারবারি এই মাদক চোরাচালানের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংসদ সদস্য।

এদিকে কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় অবৈধভাবে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এ বিষয়ে পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিশেষ করে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নে রাতের আঁধারে অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে স্থানীয়দের ভয়ভীতি প্রদর্শন, ফসলি জমির উৎপাদনক্ষমতা হ্রাস এবং নদীতীরবর্তী বাঁধ ভেঙে বাড়িঘর ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি চিঠিতে তুলে ধরা হয়।

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যা, আদালতে দায় স্বীকার গৃহবধূর

error:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সংসদ সদস্যের চিঠি

আপডেট সময় ০৯:০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবাধে মাদক প্রবেশের অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান।

সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠজন ও জেলা বিএনপির এক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিজ সংসদীয় এলাকায় মাদক নির্মূলে তিনি জিরো টলারেন্স নীতিতে অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনের আগেও তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে এ বিষয়ে আলোচনা ও উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমল থেকে কসবা উপজেলার বায়েক ও কায়েমপুর ইউনিয়ন এবং আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ, মোগড়া, দক্ষিণ ও উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চোরাই পথ দিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজর এড়িয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন গাঁজা, ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য দেশে প্রবেশ করছে। এসব মাদক সড়ক ও রেলপথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সীমান্ত এলাকার কিছু চিহ্নিত চোরাকারবারি এই মাদক চোরাচালানের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংসদ সদস্য।

এদিকে কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় অবৈধভাবে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এ বিষয়ে পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিশেষ করে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নে রাতের আঁধারে অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে স্থানীয়দের ভয়ভীতি প্রদর্শন, ফসলি জমির উৎপাদনক্ষমতা হ্রাস এবং নদীতীরবর্তী বাঁধ ভেঙে বাড়িঘর ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি চিঠিতে তুলে ধরা হয়।

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।