ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দৈনিক ভোরের ডাকের সংবাদের প্রতিবাদ, প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চেয়ারম্যান নোমান মিয়ার Logo মাধবপুরে ৫৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, কালনী ট্রেন অবরোধ Logo নিজ অর্থায়নে উন্নয়ন কাজে প্রশংসিত মীর ইব্রাহিম মিয়া Logo শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo চুনারুঘাটের শালটিলা বন বিটে ২৫ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ Logo চুনারুঘাটে অভিযানে গ্রেপ্তার মাদক মামলার আসামি ফিরোজ মিয়া Logo সংসদে মাধবপুর-চুনারুঘাটের উন্নয়ন দাবিতে সোচ্চার এমপি ফয়সল, চৌমুহনী রাবার ড্যাম পুনরায় চালুর আহ্বান Logo মাধবপুরে জুলাই শহীদ শামীম মিয়ার নামে সড়ক নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি Logo হরিশ্যামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদ ধসের ঘটনায় আদালতের নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তার নিজ দপ্তরে দায়িত্ব পালনের দ্বিতীয় দিনে দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। দিনের শুরুতেই তিনি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সচিবালয়ে পৌঁছানোর পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি (অব.) উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে সচিবালয়ে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) শাহরিয়ার জামিল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী সকালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালকদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সচিবালয়ের নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন। সেখানে দেশের মানুষের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক ভোরের ডাকের সংবাদের প্রতিবাদ, প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চেয়ারম্যান নোমান মিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০২:২৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তার নিজ দপ্তরে দায়িত্ব পালনের দ্বিতীয় দিনে দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। দিনের শুরুতেই তিনি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সচিবালয়ে পৌঁছানোর পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি (অব.) উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে সচিবালয়ে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) শাহরিয়ার জামিল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী সকালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং ডিজিএফআই-এর মহাপরিচালকদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সচিবালয়ের নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন। সেখানে দেশের মানুষের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।