
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে শেষ মুহূর্তের জনমত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তি ইমেজকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সাধারণ ভোটাররা। এ আসনে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল।
মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। হাওর-বাঁওড়, পাহাড়-নদী, চা বাগান ও শিল্পাঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠা এ অঞ্চলে কৃষক, শ্রমিক, চা শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাস। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, নিরাপত্তা ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন।
ভোটারদের মতে, যিনি দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে কাজ করবেন, তিনিই হবেন তাদের প্রকৃত প্রতিনিধি। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকা প্রার্থীর প্রতিই তাদের আস্থা বেশি।
তেলিয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিক নেতা লালন পাহান বলেন, মাধবপুর ও চুনারুঘাটে ২৮টি চা বাগানে চা শ্রমিক ও সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। তারা নিরাপদ জীবন চান। তার মতে, সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হলেন সৈয়দ মো. ফয়সল, যিনি দলীয় প্রার্থী হলেও সব শ্রেণির মানুষের অভিভাবক হিসেবে কাজ করেন।
মাধবপুরের শাহজাহানপুর গ্রামের কারখানা শ্রমিক আলী হোসেন বলেন, সৈয়দ মো. ফয়সল স্থানীয় ও পরীক্ষিত প্রার্থী। তিনি মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থাকেন, এজন্য কৃষক-শ্রমিকসহ সব পেশার মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য।
বুল্লা গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, শেষ মুহূর্তে সাধারণ ভোটাররা ব্যক্তি ফয়সলকেই বেছে নিয়েছেন এবং জনগণের রায়ে তিনিই বিজয়ী হবেন।
চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান বলেন, সৈয়দ মো. ফয়সল একজন সমাজহিতৈষী মানুষ। প্রায় চার দশক ধরে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষ তাঁকে প্রকৃত অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে তিনি মনে করেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























