
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সবাই আন্তরিক। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। ফলে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এক মতবিনিময় সভায় সেনাপ্রধান বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য আর্থিক লেনদেন বা ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের মতো তৎপরতা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ব্যালট ছিনতাই, ভোট জালিয়াতি কিংবা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এসব অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
সেনাপ্রধান আরও বলেন, অপরাধের ধরন অনুযায়ী কাউকে আটক অথবা মামলা দেওয়া— প্রয়োজন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেটাই করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হবে না।
সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। সেনাপ্রধান পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দেন।
এ সময় তিনি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























