ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

মাধবপুরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। শীত মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি না থাকলেও কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই দিনের পর দিন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ গ্রাহকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি এলাকায় দৈনিক একবার লোডশেডিং দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। দিনের বেলায় একাধিকবার এবং সন্ধ্যা নামলেই বারবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিঘ্নিত হচ্ছে বোর জমিতে পানি সেচের কাজ।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার পর পড়াশোনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়ালেখায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। অভিভাবকরা জানান, পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় ঘন ঘন লোডশেডিং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এছাড়াও বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং গৃহস্থালি কাজেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলেও সমস্যার দ্রুত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে মাধবপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ইউসুফ আলী বলেন, “বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে আমরা চেষ্টা করছি এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণ জানতে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “চাহিদার তুলনায় প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণেই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।”

এলাকাবাসী অবিলম্বে অকারণে লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

মাধবপুরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ

আপডেট সময় ০৭:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। শীত মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টি না থাকলেও কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই দিনের পর দিন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ গ্রাহকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি এলাকায় দৈনিক একবার লোডশেডিং দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। দিনের বেলায় একাধিকবার এবং সন্ধ্যা নামলেই বারবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিঘ্নিত হচ্ছে বোর জমিতে পানি সেচের কাজ।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার পর পড়াশোনার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়ালেখায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। অভিভাবকরা জানান, পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় ঘন ঘন লোডশেডিং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এছাড়াও বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং গৃহস্থালি কাজেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলেও সমস্যার দ্রুত কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে মাধবপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ইউসুফ আলী বলেন, “বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে আমরা চেষ্টা করছি এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণ জানতে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “চাহিদার তুলনায় প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণেই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।”

এলাকাবাসী অবিলম্বে অকারণে লোডশেডিং বন্ধ করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।