ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ঢাকায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি)-এর উদ্যোগে এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৭টি ব্যবসায়িক সংগঠনের সহযোগিতায় রাজধানীর একটি অভিজাত মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, পেশাজীবী প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেন। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন হামীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদসহ বিভিন্ন খাতের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে আলোচনায় বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক সাহসী ও আপসহীন নেত্রী। তাঁর নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

আলোচনায় আরও বলা হয়, তাঁর সরকারের সময়ে বেসরকারি খাতের বিকাশ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়—এই বিশ্বাস তাঁর রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি ছিল।

আলোচনা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ক ও দৃঢ়চেতা নেত্রীকে হারিয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে সারা দেশে রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ স্মরণসভা সেই ধারাবাহিক কর্মসূচিরই অংশ।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৯:৫৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ঢাকায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি)-এর উদ্যোগে এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৭টি ব্যবসায়িক সংগঠনের সহযোগিতায় রাজধানীর একটি অভিজাত মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, পেশাজীবী প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেন। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন হামীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদসহ বিভিন্ন খাতের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে আলোচনায় বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক সাহসী ও আপসহীন নেত্রী। তাঁর নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

আলোচনায় আরও বলা হয়, তাঁর সরকারের সময়ে বেসরকারি খাতের বিকাশ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়—এই বিশ্বাস তাঁর রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি ছিল।

আলোচনা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাষ্ট্রনায়ক ও দৃঢ়চেতা নেত্রীকে হারিয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে সারা দেশে রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ স্মরণসভা সেই ধারাবাহিক কর্মসূচিরই অংশ।