
ময়মনসিংহের ভালুকায় ১৬৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। পরীক্ষার দিনে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েও পরীক্ষা দিতে না পেরে ফিরে যেতে হয়েছে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা।
সোমবার সকাল থেকে ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার জন্য উপস্থিত হলেও শিক্ষকরা অফিস কক্ষে অবস্থান করছেন। পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জানা যায়, সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে বাস্তবায়ন, ১০ বছর ও ১৬ বছরে উচ্চতর গ্রেড প্রদান, শতভাগ পদোন্নতি করাসহ তিন দফা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন। তারই প্রেক্ষিতে নেওয়া হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা।
বেশ কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। কোনো ধরনের নোটিশ বা পূর্বজ্ঞাপন ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রাখা উচিত ছিল বলেও জানান তারা।
একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জানায়, ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে চলমান কর্মবিরতি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানান, পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও সহকারী শিক্ষকরা সহযোগিতা না করায় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ভালুকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, আজকের জন্য বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামীকাল শিক্ষকরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইকবাল হোসাইনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























