ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী ফিল্টার শিল্প বিলুপ্তির পথে Logo জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির রায় মঙ্গলবার Logo আশুগঞ্জে প্রাইভেটকারে ৫২ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার ১ Logo হাইমচরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাঁশ দিয়ে হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ২ Logo বিতর্কের মধ্যেই নাসিরনগরের ইউএনও শাহীনা নাছরিনের এডিসি পদোন্নতি Logo মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সুরমা চা বাগান যুব সংঘের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

কমলগঞ্জের মুন্সিবাজার যাত্রী ছাউনির জরাজীর্ণ দশা, দ্রুত সংস্কার দাবি

আব্দুল বাছিত খান, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজারস্থ যাত্রী ছাউনিটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার হয়ে এখন এক ভয়াবহ ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কের পাশে থাকা এই ছাউনিটি দিয়ে প্রতিদিন শমশেরনগর, ভানুগাছ, আদমপুরসহ আশপাশের বাজারে শত শত যাত্রী চলাচল করেন। অথচ এই ছাউনির বেহাল অবস্থার কারণে যাত্রীদের জন্য এটি এখন বিপজ্জনক আশ্রয়স্থল।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছাউনির পাকা অংশ ভেঙে পড়েছে, দেয়ালে ফাটল ধরেছে, যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তারপরও দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা সামান্য ছায়া ও বিশ্রামের আশায় সেই ভাঙা ছাউনিতেই বসে থাকেন।

কালীপ্রসাদ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পলি রানি, সুমি আক্তার ও শিল্পী বেগম বলেন, “বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পর আমরা সড়কের পাশে বা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গাড়ির অপেক্ষা করি। যাত্রী ছাউনি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে, সেখানে কেউ বসতে চায় না। আমরা চাই এটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।”

স্থানীয় শ্রমিক জমির মিয়া বলেন, “মুন্সিবাজারের এই ছাউনিতে বিভিন্ন হাটের যাত্রী ও চালকরা বিশ্রাম নেন। এটি ভেঙে পড়লে বড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজন।”

১নং রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার জানান, “মুন্সিবাজার একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার। ছাউনিটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এটি সংস্কার করা জরুরি।”

৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাহিদ আহমদ তরফদার বলেন, “যাত্রী ছাউনিটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গত সভায় উপজেলা প্রশাসনের কাছে এর পুনর্নির্মাণের অনুরোধ করেছি।”

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, “ছাউনিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

error:

কমলগঞ্জের মুন্সিবাজার যাত্রী ছাউনির জরাজীর্ণ দশা, দ্রুত সংস্কার দাবি

আপডেট সময় ০৫:২৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

আব্দুল বাছিত খান, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজারস্থ যাত্রী ছাউনিটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার হয়ে এখন এক ভয়াবহ ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কের পাশে থাকা এই ছাউনিটি দিয়ে প্রতিদিন শমশেরনগর, ভানুগাছ, আদমপুরসহ আশপাশের বাজারে শত শত যাত্রী চলাচল করেন। অথচ এই ছাউনির বেহাল অবস্থার কারণে যাত্রীদের জন্য এটি এখন বিপজ্জনক আশ্রয়স্থল।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছাউনির পাকা অংশ ভেঙে পড়েছে, দেয়ালে ফাটল ধরেছে, যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তারপরও দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা সামান্য ছায়া ও বিশ্রামের আশায় সেই ভাঙা ছাউনিতেই বসে থাকেন।

কালীপ্রসাদ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পলি রানি, সুমি আক্তার ও শিল্পী বেগম বলেন, “বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পর আমরা সড়কের পাশে বা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গাড়ির অপেক্ষা করি। যাত্রী ছাউনি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে, সেখানে কেউ বসতে চায় না। আমরা চাই এটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।”

স্থানীয় শ্রমিক জমির মিয়া বলেন, “মুন্সিবাজারের এই ছাউনিতে বিভিন্ন হাটের যাত্রী ও চালকরা বিশ্রাম নেন। এটি ভেঙে পড়লে বড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজন।”

১নং রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার জানান, “মুন্সিবাজার একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার। ছাউনিটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এটি সংস্কার করা জরুরি।”

৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাহিদ আহমদ তরফদার বলেন, “যাত্রী ছাউনিটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গত সভায় উপজেলা প্রশাসনের কাছে এর পুনর্নির্মাণের অনুরোধ করেছি।”

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, “ছাউনিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”