ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

জরুরি অবস্থার সিদ্ধান্তে বিরোধী দলের মত বাধ্যতামূলক

বাংলার খবর ডেস্ক:
জরুরি অবস্থা কীভাবে ঘোষণা হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এককভাবে নয়, মন্ত্রিসভার অনুমোদনে ঘোষণা করতে হবে জরুরি অবস্থা। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বা উপনেতাকে।

রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১২তম দিনে এই ঐকমত্যে পৌঁছায় দলগুলো। সিদ্ধান্ত হয়, জরুরি অবস্থার সময় নাগরিকের ‘জীবনের অধিকার’ এবং ‘নির্যাতন থেকে রক্ষার অধিকার’ বজায় থাকবে।

কমিশন সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৪১ (ক) ধারার আওতায় রাষ্ট্রপতি ৯০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন, তবে তা বৈধ করতে হবে মন্ত্রিসভার লিখিত অনুমোদনে।

আগের নিয়মে প্রধানমন্ত্রীর একক স্বাক্ষরে জরুরি অবস্থা জারি হতো, এখন তার পরিবর্তে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেবে এবং বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা বা উপনেতা উপস্থিত থাকবেন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকেও বিরোধী দলের সম্পৃক্ততা চেয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রিসভার অনুমোদন বাধ্যতামূলক এবং বৈঠকে বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

জরুরি অবস্থার সিদ্ধান্তে বিরোধী দলের মত বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় ০৬:২০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:
জরুরি অবস্থা কীভাবে ঘোষণা হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এককভাবে নয়, মন্ত্রিসভার অনুমোদনে ঘোষণা করতে হবে জরুরি অবস্থা। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বা উপনেতাকে।

রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১২তম দিনে এই ঐকমত্যে পৌঁছায় দলগুলো। সিদ্ধান্ত হয়, জরুরি অবস্থার সময় নাগরিকের ‘জীবনের অধিকার’ এবং ‘নির্যাতন থেকে রক্ষার অধিকার’ বজায় থাকবে।

কমিশন সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৪১ (ক) ধারার আওতায় রাষ্ট্রপতি ৯০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন, তবে তা বৈধ করতে হবে মন্ত্রিসভার লিখিত অনুমোদনে।

আগের নিয়মে প্রধানমন্ত্রীর একক স্বাক্ষরে জরুরি অবস্থা জারি হতো, এখন তার পরিবর্তে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেবে এবং বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা বা উপনেতা উপস্থিত থাকবেন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকেও বিরোধী দলের সম্পৃক্ততা চেয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়, মন্ত্রিসভার অনুমোদন বাধ্যতামূলক এবং বৈঠকে বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে।