ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভুল চিকিৎসার অভিযোগে জামালপুরের এম. এ. রশীদ হাসপাতালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা Logo হাইমচরের উত্তর আলগীতে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা Logo মাধবপুর ও শ্রীমঙ্গলে বিজিবির অভিযান, দেড় লাখ টাকার মাদক ও পণ্য জব্দ Logo মাধবপুরে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার মামলায় আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড Logo আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যার অভিযোগ, লাখাইয়ের ডোবা থেকে তারেকের মরদেহ উদ্ধার Logo হাইমচরে ১৫১ ধারায় তিনজন গ্রেপ্তার Logo তেঁতুলিয়ায় বাড়ছে শীতের আমেজ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৪ ডিগ্রি Logo পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেকর্ড, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ ভারতের Logo ঢাকা-সিলেট যাতায়াতে নতুন সম্ভাবনা, চার লেন হচ্ছে সরাইল-লাখাই মহাসড়ক Logo মাধবপুর উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির নির্বাচন ১৪ নভেম্বর, ১৩ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

মাধবপুরে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার মামলায় আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:**

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের মামলায় মো. এমরান খাঁন ওরফে ইমরান খাঁন নামে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ২ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে মাধবপুর উপজেলার নোয়াহাটি এলাকার জিসান স্টোরের সামনে অভিযান চালায় হরষপুর (তেলিয়াপাড়া) পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে দক্ষিণ শাহপুর প্রকাশ শাহনগর (পূর্বপাড়া) গ্রামের মো. রাকিব খানের ছেলে এমরান খাঁন ওরফে ইমরান খাঁনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মাধবপুর থানায় মামলা করেন। পরদিন ৩ আগস্ট আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এমরান খাঁন ওরফে ইমরান খাঁনকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দিয়েছেন আদালত।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলায় মোট ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা থানায় পাঠানো হবে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. নুরুল ইসলাম।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভুল চিকিৎসার অভিযোগে জামালপুরের এম. এ. রশীদ হাসপাতালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

error:

মাধবপুরে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার মামলায় আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১২:২৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:**

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের মামলায় মো. এমরান খাঁন ওরফে ইমরান খাঁন নামে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক কাঁকন দে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ২ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে মাধবপুর উপজেলার নোয়াহাটি এলাকার জিসান স্টোরের সামনে অভিযান চালায় হরষপুর (তেলিয়াপাড়া) পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে দক্ষিণ শাহপুর প্রকাশ শাহনগর (পূর্বপাড়া) গ্রামের মো. রাকিব খানের ছেলে এমরান খাঁন ওরফে ইমরান খাঁনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মাধবপুর থানায় মামলা করেন। পরদিন ৩ আগস্ট আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এমরান খাঁন ওরফে ইমরান খাঁনকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁদের খালাস দিয়েছেন আদালত।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. মুখলেছুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলায় মোট ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা থানায় পাঠানো হবে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. নুরুল ইসলাম।