ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে সিংহ ও করাব গ্রামের বিরোধে উত্তেজনা, বন্ধ বুল্লা বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্য Logo মরমি সাধক শেখ ভানু শাহ: কালজয়ী গানে আজও বেঁচে আছেন লাখাইয়ের ভাদিকারা গ্রামে Logo খলিলুর রহমানের গণসংযোগের পোস্টে মান্নান আখনের প্রশ্ন, ‘এটা কি ঠিক হচ্ছে ভাই’ Logo দলীয় মনোনয়নের আগেই হাইমচরে খলিলুর রহমান পাটওয়ারীর গণসংযোগ Logo নোয়াপাড়া চা বাগানে সাপ্তাহিক মজুরি পাননি শ্রমিকরা, শূন্য হাতে ফিরলেন বাড়ি Logo কচুরিপানার আগ্রাসনে চাষের অনুপযোগী লাখাইয়ের হাওর, বোরো আবাদ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক Logo জামালপুরে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, সব পদ থেকে অব্যাহতি Logo হাইমচরে দুই প্রতিষ্ঠানে অভিযান, জরিমানা ৫৫ হাজার টাকা Logo নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান Logo প্রবাসে না গিয়ে চুনারুঘাটের ইমরানের সাফল্য, ‘সুগান মন্ত্রী’ তেল রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশিক মুদ্রা

সিলেটের শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৮ লাখ টাকা, ৫ দফায় জমা ৩ কোটি ১৮ লাখ

বাংলার খবর ডেস্ক:

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা পঞ্চম দফায় গণনা করে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দানবাক্সের টাকা গণনার সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপাও পাওয়া যায়।

গত জুন থেকে প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়। এরপর পাঁচ দফায় গণনা করে মোট ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৩ হাজার টাকার বেশি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া গেছে। দানবাক্সে পাওয়া টাকা মাজারের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হচ্ছে।

সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম মাজারের দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনার উদ্যোগ নেন। তাঁর উদ্যোগে গত ১৮ জুন মাজারের পুরোনো দানবাক্স সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী রাখার ঐতিহাসিক তিনটি ডেগও সিলগালা করা হয়। এ উদ্যোগ নিয়ে সিলেটে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর মধ্যে ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়। তবে সিলেট ছাড়ার আগে ২২ জুন তাঁর উপস্থিতিতে দানবাক্স খুলে জনসমক্ষে প্রথম দফায় টাকা গণনা করা হয়। সেদিন পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার চেক যুক্ত হওয়ায় মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।

এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় দানবাক্স ও ডেগ থেকে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা পাওয়া যায়। চতুর্থ দফার গণনায় নগদ অর্থের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপা পাওয়া যায়।

শনিবার পঞ্চম দফার গণনায় পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ১৩ দশমিক ৫০ ওমানি রিয়াল, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ৬৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, ১৭ কাতারি রিয়াল, ১০০ বাহরাইনি দিনার, ১৪ ব্রিটিশ পাউন্ড, ২৯ মার্কিন ডলার এবং ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট।

এ ছাড়া পাওয়া গেছে ১১ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ২০ থাই বাত, ১৫ মালদ্বীপের রুফিয়া, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুশ রুবল এবং ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি। গণনায় আরও পাওয়া গেছে ১ ভরি সাড়ে ৮ আনা স্বর্ণ এবং ৩ ভরি ১৩ আনা রুপা। এর আগে চতুর্থ দফার গণনায় ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ পাওয়া গিয়েছিল।

এদিকে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটির সভায় দানবাক্সের টাকা প্রতিদিন গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজের জন্য সোনালী ব্যাংকের একটি হিসাবে জমা রাখা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে মাজারের দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সভা শেষে এসব তথ্য জানিয়েছিলেন কমিটির সদস্যসচিব ও সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, উন্নয়নকাজের জন্য নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবটি জেলা প্রশাসক ও মাজারের মোতোয়াল্লির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।

টাকা গণনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাজারের জন্য একজন ব্যবস্থাপক, একজন হিসাবরক্ষক এবং একজন অফিস সহকারী নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাজার পরিচালনা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নসহ সার্বিক কার্যক্রম তদারকিতে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে। জেলা প্রশাসক কমিটির আহ্বায়ক থাকবেন এবং মাজারের মোতোয়াল্লি সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দানবাক্সে পাওয়া টাকা আপাতত আগের মতো ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে। সেখান থেকে বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল এবং আনসার সদস্যদের বেতন দেওয়া হবে। ব্যবস্থাপক, হিসাবরক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রতিদিন টাকা গণনা শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও প্রায় এক মাস লাগতে পারে। এর আগে আরও একবার বর্তমান ব্যবস্থাপনায় টাকা গণনা করা হতে পারে।

দানবাক্সের অর্থ বণ্টনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, উচ্চপর্যায়ের কমিটি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাজার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য ব্যয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে সিংহ ও করাব গ্রামের বিরোধে উত্তেজনা, বন্ধ বুল্লা বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্য

error:

সিলেটের শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৮ লাখ টাকা, ৫ দফায় জমা ৩ কোটি ১৮ লাখ

আপডেট সময় ০৪:২৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক:

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা পঞ্চম দফায় গণনা করে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দানবাক্সের টাকা গণনার সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপাও পাওয়া যায়।

গত জুন থেকে প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হয়। এরপর পাঁচ দফায় গণনা করে মোট ৩ কোটি ১৮ লাখ ২৩ হাজার টাকার বেশি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া গেছে। দানবাক্সে পাওয়া টাকা মাজারের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হচ্ছে।

সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম মাজারের দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনার উদ্যোগ নেন। তাঁর উদ্যোগে গত ১৮ জুন মাজারের পুরোনো দানবাক্স সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী রাখার ঐতিহাসিক তিনটি ডেগও সিলগালা করা হয়। এ উদ্যোগ নিয়ে সিলেটে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর মধ্যে ২১ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে সংযুক্ত করা হয়। তবে সিলেট ছাড়ার আগে ২২ জুন তাঁর উপস্থিতিতে দানবাক্স খুলে জনসমক্ষে প্রথম দফায় টাকা গণনা করা হয়। সেদিন পাওয়া যায় ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার চেক যুক্ত হওয়ায় মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা।

এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় দানবাক্স ও ডেগ থেকে ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা পাওয়া যায়। চতুর্থ দফার গণনায় নগদ অর্থের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপা পাওয়া যায়।

শনিবার পঞ্চম দফার গণনায় পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে ৭ হাজার ৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ১৩ দশমিক ৫০ ওমানি রিয়াল, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ৬৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, ১৭ কাতারি রিয়াল, ১০০ বাহরাইনি দিনার, ১৪ ব্রিটিশ পাউন্ড, ২৯ মার্কিন ডলার এবং ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট।

এ ছাড়া পাওয়া গেছে ১১ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ২০ থাই বাত, ১৫ মালদ্বীপের রুফিয়া, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুশ রুবল এবং ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি। গণনায় আরও পাওয়া গেছে ১ ভরি সাড়ে ৮ আনা স্বর্ণ এবং ৩ ভরি ১৩ আনা রুপা। এর আগে চতুর্থ দফার গণনায় ১ ভরি ৯ আনা ২ রতি স্বর্ণ পাওয়া গিয়েছিল।

এদিকে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর গঠিত কমিটির সভায় দানবাক্সের টাকা প্রতিদিন গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজের জন্য সোনালী ব্যাংকের একটি হিসাবে জমা রাখা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে মাজারের দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সভা শেষে এসব তথ্য জানিয়েছিলেন কমিটির সদস্যসচিব ও সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, উন্নয়নকাজের জন্য নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবটি জেলা প্রশাসক ও মাজারের মোতোয়াল্লির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।

টাকা গণনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাজারের জন্য একজন ব্যবস্থাপক, একজন হিসাবরক্ষক এবং একজন অফিস সহকারী নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাজার পরিচালনা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নসহ সার্বিক কার্যক্রম তদারকিতে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে। জেলা প্রশাসক কমিটির আহ্বায়ক থাকবেন এবং মাজারের মোতোয়াল্লি সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দানবাক্সে পাওয়া টাকা আপাতত আগের মতো ব্যাংক হিসাবে রাখা হবে। সেখান থেকে বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল এবং আনসার সদস্যদের বেতন দেওয়া হবে। ব্যবস্থাপক, হিসাবরক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রতিদিন টাকা গণনা শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও প্রায় এক মাস লাগতে পারে। এর আগে আরও একবার বর্তমান ব্যবস্থাপনায় টাকা গণনা করা হতে পারে।

দানবাক্সের অর্থ বণ্টনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, উচ্চপর্যায়ের কমিটি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাজার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য ব্যয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।