ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে পিকআপের চাপায় পা গুরুতর জখম ৭ বছরের ইকবালের, অর্থাভাবে ব্যাহত চিকিৎসা Logo অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেক ভ্যালি বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের ফিরতে নির্দেশ Logo লাখাইয়ের বামৈ বড় বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ Logo মাধবপুরে ১১৮টি পূজামণ্ডপে সায়হাম গ্রুপের অনুদান বিতরণ Logo শৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলা ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আজ বিএনপির সংসদীয় দলের সভা Logo লাখাইয়ে ৩ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক Logo হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবির অভিযানে ৭১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ২ Logo মোদি সরকারের পতন আসন্ন, দাবি কংগ্রেস নেতা বেণুগোপালের Logo মাধবপুরে পুরাতন কম্বলের আড়ালে ১০ কেজি গাঁজা, আটক ২ Logo এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার ভাবনা সরকারের

লাখাইয়ে পিকআপের চাপায় পা গুরুতর জখম ৭ বছরের ইকবালের, অর্থাভাবে ব্যাহত চিকিৎসা

লাখাই প্রতিনিধি, পারভেজ হাসান:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ৭ বছরের মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশু ইকবালের উন্নত চিকিৎসা অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বাম পায়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় পঙ্গুত্বের আশঙ্কায় রয়েছে শিশুটি। তার চিকিৎসায় সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন অসহায় মা-বাবা।

আহত ইকবাল লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের দিনমজুর বুরহান উদ্দিন ও আছকিরা বেগম দম্পতির সন্তান।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে কালিয়াদারা ব্রিজসংলগ্ন হবিগঞ্জ-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক পার হচ্ছিল ইকবাল। এ সময় দ্রুতগতির একটি অজ্ঞাত পিকআপ ভ্যান পেছন থেকে তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পিকআপটির পেছনের চাকা শিশুটির বাম পায়ের ওপর দিয়ে চলে গেলে পা গুরুতরভাবে জখম হয়। এতে তার পায়ের রগও কেটে গেছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

দুর্ঘটনার পর থেকে ইকবালকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছুটছেন তার মা-বাবা। গত ১৬ থেকে ১৭ দিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যে লক্ষাধিক টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

ইকবালের বাবা বুরহান উদ্দিন পেশায় একজন দিনমজুর। সীমিত আয়ে সংসার চালানো এই পরিবারের চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই। এত দিন মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে সন্তানের চিকিৎসা চালালেও এখন অর্থসংকটে উন্নত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোট্ট ইকবাল প্রতিনিয়ত ব্যথায় কাতরাচ্ছে। সে সুস্থ হয়ে আগের মতো হাঁটাচলা করতে চায়। কিন্তু তার পা রক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এতে শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন মা-বাবা।

ইকবালের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও মানবিক ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার। তাঁদের আকুতি, সবার সহযোগিতা পেলে শিশুটি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ জীবনে ফিরতে পারবে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে পিকআপের চাপায় পা গুরুতর জখম ৭ বছরের ইকবালের, অর্থাভাবে ব্যাহত চিকিৎসা

error:

লাখাইয়ে পিকআপের চাপায় পা গুরুতর জখম ৭ বছরের ইকবালের, অর্থাভাবে ব্যাহত চিকিৎসা

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

লাখাই প্রতিনিধি, পারভেজ হাসান:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ৭ বছরের মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশু ইকবালের উন্নত চিকিৎসা অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বাম পায়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ায় পঙ্গুত্বের আশঙ্কায় রয়েছে শিশুটি। তার চিকিৎসায় সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন অসহায় মা-বাবা।

আহত ইকবাল লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের দিনমজুর বুরহান উদ্দিন ও আছকিরা বেগম দম্পতির সন্তান।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে কালিয়াদারা ব্রিজসংলগ্ন হবিগঞ্জ-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক পার হচ্ছিল ইকবাল। এ সময় দ্রুতগতির একটি অজ্ঞাত পিকআপ ভ্যান পেছন থেকে তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পিকআপটির পেছনের চাকা শিশুটির বাম পায়ের ওপর দিয়ে চলে গেলে পা গুরুতরভাবে জখম হয়। এতে তার পায়ের রগও কেটে গেছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

দুর্ঘটনার পর থেকে ইকবালকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ছুটছেন তার মা-বাবা। গত ১৬ থেকে ১৭ দিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যে লক্ষাধিক টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

ইকবালের বাবা বুরহান উদ্দিন পেশায় একজন দিনমজুর। সীমিত আয়ে সংসার চালানো এই পরিবারের চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই। এত দিন মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করে সন্তানের চিকিৎসা চালালেও এখন অর্থসংকটে উন্নত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোট্ট ইকবাল প্রতিনিয়ত ব্যথায় কাতরাচ্ছে। সে সুস্থ হয়ে আগের মতো হাঁটাচলা করতে চায়। কিন্তু তার পা রক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এতে শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন মা-বাবা।

ইকবালের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও মানবিক ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার। তাঁদের আকুতি, সবার সহযোগিতা পেলে শিশুটি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ জীবনে ফিরতে পারবে।