ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন Logo হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ Logo ফেসবুকের আয় ও বন্ধুদের সহযোগিতায় অসহায় রাশিদার নতুন ঘর নির্মাণ করলেন শান্ত শাহ Logo লাখাই থানার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শরীফ আহমেদ Logo দোয়ারাবাজারে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি

বাংলার খবর ডেস্ক:
বাংলাদেশের ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারার পেছনে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ কে এম অলি উল্যাহ। সদস্য ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর।

ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর জানান, ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে না পাঠানোর সিদ্ধান্তের জন্য তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল দায়ী। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের দায় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরও বর্তায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তথা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) একমত ছিল। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়।

২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসির কাছে আবেদন করেছিল বিসিবি। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেনি আইসিসি। পরে বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড।

এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে খেলার কথা থাকলেও বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এরপর ভারত সফরে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বিসিবি।

তদন্ত কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য শতভাগ প্রস্তুত ছিলেন। খেলোয়াড়দের অনাগ্রহ বা বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়নি। এ বিষয়টি পরবর্তী সময়ে আসিফ নজরুলের দেওয়া কিছু বক্তব্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না যাওয়ার ঘটনায় বিতর্কের পর গত মে মাসে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। চার মাসের বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে মঙ্গলবার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বাংলাদেশকে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাইরে রাখার ক্ষেত্রে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তকে মূল ভূমিকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয়

error:

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় ০৯:০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক:
বাংলাদেশের ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারার পেছনে তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ কে এম অলি উল্যাহ। সদস্য ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ক্রীড়া সংগঠক ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর।

ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর জানান, ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে না পাঠানোর সিদ্ধান্তের জন্য তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল দায়ী। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের দায় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরও বর্তায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় তথা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) একমত ছিল। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয়।

২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসির কাছে আবেদন করেছিল বিসিবি। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেনি আইসিসি। পরে বাংলাদেশের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড।

এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে খেলার কথা থাকলেও বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এরপর ভারত সফরে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বিসিবি।

তদন্ত কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য শতভাগ প্রস্তুত ছিলেন। খেলোয়াড়দের অনাগ্রহ বা বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়নি। এ বিষয়টি পরবর্তী সময়ে আসিফ নজরুলের দেওয়া কিছু বক্তব্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না যাওয়ার ঘটনায় বিতর্কের পর গত মে মাসে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। চার মাসের বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে মঙ্গলবার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বাংলাদেশকে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাইরে রাখার ক্ষেত্রে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তকে মূল ভূমিকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।