
জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার:
লোডশেডিংয়ের সময় জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রায় এক যুগ আগে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হয়েছিল সোলার প্যানেল। তবে দীর্ঘদিন ধরে সেটি অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় সরকারের নেওয়া এই উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির অভাবে সোলার সিস্টেমটি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদে স্থাপিত সোলার প্যানেলটি বর্তমানে কোনো বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে না। ঠিক কত বছর ধরে এটি অচল, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন আগে সোলার সিস্টেমটি স্থাপন করা হয়েছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইমরুল হাসান বলেন, ‘অনেক আগেই সোলার প্যানেলটি বসানো হয়েছিল। বর্তমানে এটি অচল ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে।’
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সচল রাখতে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি জেনারেটর থাকলেও সেটি মূলত অপারেশন থিয়েটারে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফলে ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ ও অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালু রাখতে স্থানীয়ভাবে মাসিক ভাড়ার ভিত্তিতে জেনারেটর সার্ভিস নিতে হয়।
দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে থাকা সোলার সিস্টেমটি পুনরায় সচল করা গেলে লোডশেডিংয়ের সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভাড়ায় জেনারেটর ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীলতাও কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য দ্রুত সোলার প্যানেলটির কার্যকারিতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















