ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন নেই মাধবপুর পৌরসভার

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার
প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নিজস্ব ভবন পায়নি হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভা। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হওয়ার পরও বর্তমানে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে চলছে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা নাগরিকদেরও নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২ আগস্ট ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মাধবপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। সময়ের সঙ্গে পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়লেও সে অনুযায়ী গড়ে ওঠেনি নিজস্ব অবকাঠামো।

জানা গেছে, পৌর ভবন নির্মাণের জন্য জমি কেনা, নকশা অনুমোদন ও দরপত্রের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর্যায়ে জমি নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দেয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ২২৯২/১৮ দায়েরের পর ভবন নির্মাণের কার্যক্রম আটকে যায়।

প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় উপজেলা পরিষদের একটি ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। সীমিত পরিসরে একাধিক শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় দাপ্তরিক কাজে স্থান সংকটের পাশাপাশি নাগরিকদের বসা ও অপেক্ষার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

মাধবপুর পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও ড্রেনেজসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা রয়েছে। এসব সেবা নিশ্চিত করতে পৌরসভার প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন থাকলেও নিজস্ব কার্যালয় না থাকায় কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান বলেন, রিট সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ভবন নির্মাণে এখন আর কোনো বাধা নেই। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলেই নিজস্ব পৌর ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন নেই মাধবপুর পৌরসভার

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার
প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নিজস্ব ভবন পায়নি হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভা। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হওয়ার পরও বর্তমানে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে চলছে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা নাগরিকদেরও নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২ আগস্ট ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মাধবপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। সময়ের সঙ্গে পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়লেও সে অনুযায়ী গড়ে ওঠেনি নিজস্ব অবকাঠামো।

জানা গেছে, পৌর ভবন নির্মাণের জন্য জমি কেনা, নকশা অনুমোদন ও দরপত্রের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর্যায়ে জমি নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দেয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ২২৯২/১৮ দায়েরের পর ভবন নির্মাণের কার্যক্রম আটকে যায়।

প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় উপজেলা পরিষদের একটি ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। সীমিত পরিসরে একাধিক শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় দাপ্তরিক কাজে স্থান সংকটের পাশাপাশি নাগরিকদের বসা ও অপেক্ষার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

মাধবপুর পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও ড্রেনেজসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা রয়েছে। এসব সেবা নিশ্চিত করতে পৌরসভার প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন থাকলেও নিজস্ব কার্যালয় না থাকায় কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান বলেন, রিট সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ভবন নির্মাণে এখন আর কোনো বাধা নেই। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলেই নিজস্ব পৌর ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।