ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে মায়ের অস্থি সংগ্রহ করতে গিয়ে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু Logo এমপির গলায় রামদা ঠেকিয়ে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ, সৎভাইসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা Logo মাধবপুরে বৈকণ্ঠপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, পাল্টা জিডি Logo লাখাইয়ে দপ্তরির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo আজমিরীগঞ্জে ফল ব্যবসায়ীর মোবাইল নেওয়ার অভিযোগ, এসআইকে প্রত্যাহারের সুপারিশ Logo বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী Logo এক ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না: নতুন নীতিমালা জারি Logo সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হবিগঞ্জে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার Logo দেশে রেকর্ড লোডশেডিং: ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে ভাঙল আগের সব রেকর্ড Logo পিরোজপুরে ১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ১১ শিক্ষক: পাস করা একমাত্র শিক্ষার্থীর নামই জানেন না প্রধান শিক্ষক

মাধবপুরে বৈকণ্ঠপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, পাল্টা জিডি

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার, বাংলার খবর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বৈকণ্ঠপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এক দরিদ্র কৃষকের ওয়ারিশান সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের পূর্ব চারাভাঙ্গা গ্রামে বৈকণ্ঠপুর চা বাগানের পাশের এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জমি দখল করে সাইনবোর্ড টানানো, কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া এবং সেখানে চা গাছ রোপণ করার ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী কৃষক সেলিম মিয়ার দাবি, ওয়ারিশান সূত্রে প্রাপ্ত ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে তিনি আদালতের রায়ে ডিক্রি পেয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জমিটি তার নামে নামজারি (মিউটেশন) করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তিনি নিজের জমিতে প্রবেশ করতে গেলে চা বাগান কর্তৃপক্ষের লোকজন তাকে বাধা দেন। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় আবেদন করলেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান।

অন্যদিকে, সেলিম মিয়া জমিতে প্রবেশ করতে গেলে চা বাগান কর্তৃপক্ষ উল্টো তাকে বিবাদী করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।

এ বিষয়ে বৈকণ্ঠপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, “উক্ত জমি ১৯৫০ সাল থেকে চা বাগানের দখলে রয়েছে এবং এটি আমাদের মালিকানাধীন। সেলিম মিয়া যে ডিগ্রি পেয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছি। তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে আমাদের হয়রানি করছেন।” তবে জমির মালিকানা দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

স্থানীয় বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম আবুল বলেন, “চা বাগান ব্যক্তিমালিকানাধীন নয়; এর মালিক জেলা প্রশাসন। দ্রুত এ বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।” উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত আইনগতভাবে বিষয়টির স্থায়ী নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে মায়ের অস্থি সংগ্রহ করতে গিয়ে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

error:

মাধবপুরে বৈকণ্ঠপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, পাল্টা জিডি

আপডেট সময় ০১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার, বাংলার খবর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বৈকণ্ঠপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এক দরিদ্র কৃষকের ওয়ারিশান সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের পূর্ব চারাভাঙ্গা গ্রামে বৈকণ্ঠপুর চা বাগানের পাশের এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জমি দখল করে সাইনবোর্ড টানানো, কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া এবং সেখানে চা গাছ রোপণ করার ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী কৃষক সেলিম মিয়ার দাবি, ওয়ারিশান সূত্রে প্রাপ্ত ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ জমির মালিকানা নিয়ে তিনি আদালতের রায়ে ডিক্রি পেয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জমিটি তার নামে নামজারি (মিউটেশন) করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তিনি নিজের জমিতে প্রবেশ করতে গেলে চা বাগান কর্তৃপক্ষের লোকজন তাকে বাধা দেন। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় আবেদন করলেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান।

অন্যদিকে, সেলিম মিয়া জমিতে প্রবেশ করতে গেলে চা বাগান কর্তৃপক্ষ উল্টো তাকে বিবাদী করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।

এ বিষয়ে বৈকণ্ঠপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, “উক্ত জমি ১৯৫০ সাল থেকে চা বাগানের দখলে রয়েছে এবং এটি আমাদের মালিকানাধীন। সেলিম মিয়া যে ডিগ্রি পেয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছি। তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে আমাদের হয়রানি করছেন।” তবে জমির মালিকানা দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

স্থানীয় বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম আবুল বলেন, “চা বাগান ব্যক্তিমালিকানাধীন নয়; এর মালিক জেলা প্রশাসন। দ্রুত এ বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।” উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত আইনগতভাবে বিষয়টির স্থায়ী নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।