ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা, ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারের একটি ব্যবসায়িক কার্যালয়ের এবং ভিডিওতে থাকা মরিয়ম বেগম তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে তিনি জানান, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাইয়ের। এ ঘটনায় তিনি তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন।

বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গাড়িচালককে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, পরে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অর্থ দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, চালক ওবায়দুল্লাহ তার কাছে ৫ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি এ ঘটনাকে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা, ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারের একটি ব্যবসায়িক কার্যালয়ের এবং ভিডিওতে থাকা মরিয়ম বেগম তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে তিনি জানান, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাইয়ের। এ ঘটনায় তিনি তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন।

বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গাড়িচালককে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, পরে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অর্থ দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, চালক ওবায়দুল্লাহ তার কাছে ৫ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

তিনি এ ঘটনাকে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।