
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারের একটি ব্যবসায়িক কার্যালয়ের এবং ভিডিওতে থাকা মরিয়ম বেগম তার দ্বিতীয় স্ত্রী।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে তিনি জানান, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাইয়ের। এ ঘটনায় তিনি তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন।
বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গাড়িচালককে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, পরে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু অর্থ দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।
গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, চালক ওবায়দুল্লাহ তার কাছে ৫ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে একটি বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
তিনি এ ঘটনাকে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা উল্লেখ করে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























