ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠান সম্প্রচার ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত Logo বকশীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যবসায়ীর ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo লাখাইয়ের ৭২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু, সিংহগ্রামে চারা রোপণ Logo মাধবপুরে ১৫ দিনে ৪ আত্মহত্যা: নীরব সংকটে উদ্বিগ্ন জনপদ Logo মাধবপুর বাসস্ট্যান্ডে পিলারভিত্তিক ফ্লাইওভারের দাবিতে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধ Logo মাধবপুরে বন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি, ১০ কোটি টাকার বেশি লোকসানের আশঙ্কা Logo মাধবপুর কাটিয়ারা মাছ বাজারে খুচরা মাছ ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo লাখাইয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হওয়ায় হুইপ জি কে গউছকে ছাত্রদল নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা Logo সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, আতঙ্কে খাবার ফেলে বেরিয়ে গেলেন পর্যটকরা Logo দুই মাসের শিশুর পা ভাঙার চেষ্টা, গোপন ক্যামেরায় ধরা চাচির নির্যাতন

মাধবপুরে বন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি, ১০ কোটি টাকার বেশি লোকসানের আশঙ্কা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমি, সবজি ক্ষেত ও মাছের পুকুর প্লাবিত হওয়ায় কৃষক ও মৎস্যচাষিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানিতে উপজেলার প্রায় ১০ হেক্টর জমির সবজি এবং ৫ হেক্টর জমির আমন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কৃষকদের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, বন্যার পানিতে উপজেলার ৪৩৫টি মাছের পুকুর প্লাবিত হয়েছে, যার মোট আয়তন প্রায় ৭৩ দশমিক ২ হেক্টর। পুকুর থেকে মাছ ভেসে যাওয়া এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রায় ১০ কোটি ২১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু আসাদ ফরিদুল হক জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের সহায়তায় প্রণোদনার চাহিদাপত্র ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সরকারি সহায়তা পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা দ্রুত পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মৎস্যচাষিদের উদ্বেগ এখনো কাটেনি। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠান সম্প্রচার ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

মাধবপুরে বন্যায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি, ১০ কোটি টাকার বেশি লোকসানের আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমি, সবজি ক্ষেত ও মাছের পুকুর প্লাবিত হওয়ায় কৃষক ও মৎস্যচাষিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানিতে উপজেলার প্রায় ১০ হেক্টর জমির সবজি এবং ৫ হেক্টর জমির আমন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কৃষকদের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, বন্যার পানিতে উপজেলার ৪৩৫টি মাছের পুকুর প্লাবিত হয়েছে, যার মোট আয়তন প্রায় ৭৩ দশমিক ২ হেক্টর। পুকুর থেকে মাছ ভেসে যাওয়া এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রায় ১০ কোটি ২১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু আসাদ ফরিদুল হক জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের সহায়তায় প্রণোদনার চাহিদাপত্র ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সরকারি সহায়তা পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা দ্রুত পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মৎস্যচাষিদের উদ্বেগ এখনো কাটেনি। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।