ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

মাধবপুরে খায়রুল হত্যা মামলায় নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খায়রুল মিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশি ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলার আসামি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মামলায় নাম না থাকলেও অনেকেই গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুরুষশূন্য বাড়িগুলোতে চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় নারী ও শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে খায়রুল মিয়া ও আল আমীনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে খায়রুল গুরুতর আহত হন। পরে তার পিতা শামসু উদ্দিন মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আল আমীন, তার পিতা বাচ্চু মিয়া, সুজন মিয়া ও খোকন মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

ঘটনার তিন দিন পর, ২৪ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খায়রুল মিয়ার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এতে অসহায় পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল কবির জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল রানা বলেন, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

মাধবপুরে খায়রুল হত্যা মামলায় নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খায়রুল মিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশি ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলার আসামি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মামলায় নাম না থাকলেও অনেকেই গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুরুষশূন্য বাড়িগুলোতে চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় নারী ও শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে খায়রুল মিয়া ও আল আমীনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে খায়রুল গুরুতর আহত হন। পরে তার পিতা শামসু উদ্দিন মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আল আমীন, তার পিতা বাচ্চু মিয়া, সুজন মিয়া ও খোকন মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

ঘটনার তিন দিন পর, ২৪ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খায়রুল মিয়ার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এতে অসহায় পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল কবির জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল রানা বলেন, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।”