ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

মাধবপুরে খায়রুল হত্যা মামলায় নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খায়রুল মিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশি ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলার আসামি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মামলায় নাম না থাকলেও অনেকেই গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুরুষশূন্য বাড়িগুলোতে চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় নারী ও শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে খায়রুল মিয়া ও আল আমীনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে খায়রুল গুরুতর আহত হন। পরে তার পিতা শামসু উদ্দিন মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আল আমীন, তার পিতা বাচ্চু মিয়া, সুজন মিয়া ও খোকন মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

ঘটনার তিন দিন পর, ২৪ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খায়রুল মিয়ার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এতে অসহায় পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল কবির জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল রানা বলেন, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

মাধবপুরে খায়রুল হত্যা মামলায় নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খায়রুল মিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশি ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলার আসামি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মামলায় নাম না থাকলেও অনেকেই গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুরুষশূন্য বাড়িগুলোতে চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় নারী ও শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে খায়রুল মিয়া ও আল আমীনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে খায়রুল গুরুতর আহত হন। পরে তার পিতা শামসু উদ্দিন মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আল আমীন, তার পিতা বাচ্চু মিয়া, সুজন মিয়া ও খোকন মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

ঘটনার তিন দিন পর, ২৪ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খায়রুল মিয়ার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এতে অসহায় পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল কবির জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল রানা বলেন, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।”