ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

মাধবপুরে খায়রুল হত্যা মামলায় নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খায়রুল মিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশি ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলার আসামি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মামলায় নাম না থাকলেও অনেকেই গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুরুষশূন্য বাড়িগুলোতে চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় নারী ও শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে খায়রুল মিয়া ও আল আমীনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে খায়রুল গুরুতর আহত হন। পরে তার পিতা শামসু উদ্দিন মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আল আমীন, তার পিতা বাচ্চু মিয়া, সুজন মিয়া ও খোকন মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

ঘটনার তিন দিন পর, ২৪ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খায়রুল মিয়ার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এতে অসহায় পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল কবির জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল রানা বলেন, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

মাধবপুরে খায়রুল হত্যা মামলায় নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খায়রুল মিয়া হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশি ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মামলার আসামি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। মামলায় নাম না থাকলেও অনেকেই গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুরুষশূন্য বাড়িগুলোতে চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় নারী ও শিশুরা ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার শাহজানপুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ গ্রামে পাওনা টাকা নিয়ে খায়রুল মিয়া ও আল আমীনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে খায়রুল গুরুতর আহত হন। পরে তার পিতা শামসু উদ্দিন মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আল আমীন, তার পিতা বাচ্চু মিয়া, সুজন মিয়া ও খোকন মিয়াকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

ঘটনার তিন দিন পর, ২৪ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খায়রুল মিয়ার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি চক্র গড়ে উঠেছে, যারা পুলিশের ভয় দেখিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি ও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এতে অসহায় পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল কবির জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল রানা বলেন, “এ ধরনের কিছু অভিযোগ আমরাও শুনেছি। বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।”