ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চুনারুঘাটে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার, কালেঙ্গা বনে অবমুক্ত Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মাধবপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন Logo গাঁজা সেবনে বিশৃঙ্খলা: দু’জনের জেল-জরিমানা Logo লাখাইয়ে তোলপাড়: কলেজের জমি কিনলেন অধ্যক্ষ ও কর্মচারীরা Logo মাধবপুরে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo ধর্মঘর ও কালিবাজারে অতিরিক্ত হাসিলের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে ক্রেতারা Logo মাধবপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার Logo আন্দিউড়া ইউনিয়নে মোত্তাকিম চৌধুরীর সমর্থনে গ্রামবাসীর বিশাল উঠান বৈঠক Logo মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, শিক্ষকসহ আহত ৫ Logo অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে পরিবর্তনের ইঙ্গিত

মাধবপুরে ফারুক হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে হত্যা করে লাশ গুম করার আলোচিত মামলায় এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯।

র‍্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত ফারুক মিয়া (৫৩) মাধবপুর উপজেলার আফজলপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী (রুবেল) ভিকটিমের মাধ্যমে ওয়াসিম মিয়াকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেয়। পরে চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে ওই টাকা ফেরত চাইলে ফারুক মিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ফারুক মিয়া মনতলা বাজারে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে মাধবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে উপজেলার একটি বাঁশঝাড় থেকে পচা-গলিত একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরনের কাপড় দেখে পরিবারের সদস্যরা সেটিকে ফারুক মিয়ার লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন।

পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকার জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, মামলার তদন্তে ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার পলাতক আসামি মামুন মিয়া (২৪)-কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত মামুন মিয়া উপজেলার উত্তর আফজলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৯ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার, কালেঙ্গা বনে অবমুক্ত

error:

মাধবপুরে ফারুক হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে হত্যা করে লাশ গুম করার আলোচিত মামলায় এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯।

র‍্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত ফারুক মিয়া (৫৩) মাধবপুর উপজেলার আফজলপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী (রুবেল) ভিকটিমের মাধ্যমে ওয়াসিম মিয়াকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেয়। পরে চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে ওই টাকা ফেরত চাইলে ফারুক মিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ফারুক মিয়া মনতলা বাজারে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে মাধবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে উপজেলার একটি বাঁশঝাড় থেকে পচা-গলিত একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরনের কাপড় দেখে পরিবারের সদস্যরা সেটিকে ফারুক মিয়ার লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন।

পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকার জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, মামলার তদন্তে ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার পলাতক আসামি মামুন মিয়া (২৪)-কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত মামুন মিয়া উপজেলার উত্তর আফজলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-৯ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।